সব বাধা পেরিয়ে শুভ পরিণয়ে বাধা পড়ল মিঠি-কৃশানু! বাসর রাতে হইহুল্লোড়ের মাঝেও কমলিনীর মনে বিষাদের ছায়া! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসা (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বিষণ্ণতা কাটিয়ে অবশেষে মিঠির জীবনে আনন্দের জোয়ার এসেছে। নতুন বর কৃশানু বিয়ে করতে উপস্থিত হলে চারদিকে আনন্দের সাড়া পড়ে যায়। বড়দের স্নেহ ও আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে কমলিনী কৃশানুকে বরণ করে ঘরে তুলে নেন। বিয়ের পবিত্র লগ্নে অতীতের সমস্ত নেতিবাচকতা ধুয়ে মুছে গিয়ে এক নতুন শুরুর আমেজ তৈরি হয়। কৃশানুর উপস্থিতিতে মিঠির মুখে আবার হাসি ফোটে এবং বাড়ির পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
বিয়ের মূল অনুষ্ঠান শুরু হতেই আসর জমে ওঠে। নতুন বর কৃশানুকে ঘিরে বাড়ির সবার হাসি-মজা আর নির্মল ঠাট্টা-তামাশা চলতে থাকে। শ্যালিকা ও আত্মীয়-স্বজনদের দুষ্টুমিষ্টি আড্ডায় আসর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। হাসি-ঠাট্টার পাশাপাশি গান-বাজনা আর নাচে সবাই মেতে ওঠে। সব মিলিয়ে, সমস্ত ষড়যন্ত্র ও বাধা কাটিয়ে মিঠির বিয়ের আসরটি একটি সার্থক ও বর্ণিল উৎসবে পরিণত হয়।

বিয়ের নিয়ম-কানুন চলার মাঝে এক অন্য দৃশ্য দেখা যায়। নতুন সারাদিন উপোস করে থাকায় ভোর তাকে শরবত দেয়। দূর থেকে তা দেখে কমলিনীর মন খারাপ হয়ে যায়, কারণ তিনি নিজেও সারাদিন না খেয়ে আছেন কিন্তু নতুন তাকে জিজ্ঞাসাও করেনি। কমলিনীর এই অভিমান ও অবহেলার বিষয়টি কুরচি ও তার বর লক্ষ্য করে। তারা তখনই নতুনকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে যে সে কমলিনীর খোঁজ নিয়েছে কিনা।
কুরচির কথা শুনে নতুন এসে কমলিনীকে খাওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করে। কিন্তু কমলিনী অভিমান করে খাবার গ্রহণ করতে রাজি হন না। তাদের মধ্যে ভোরকে নিয়ে নতুন করে তর্ক শুরু হয়, যা কমলিনীর মনের কষ্টকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সব ঝামেলার অবসান ঘটিয়ে মিঠির বিয়ে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয় এবং বাসর ঘরে সবাই মিলে হইহুল্লোড় ও আনন্দে মেতে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ ‘বুড়ি হয়ে গেছ, চামড়া কুঁচকে গেছে!’ ‘বয়স হয়েছে বলে কেউ কাজে নিচ্ছে না!’ শ্বেতা ভট্টাচার্যকে নিয়ে নেটিজেনদের কুরুচিকর আক্রমণ! অভিনেত্রীর প্রতুত্তরে উত্তাল নেটপাড়া!
বাসর ঘরে গান-আড্ডা আর হাসাহাসির মাঝে নতুন ও কমলিনী সকলের আসর জমিয়ে তোলে। বাইরের দৃষ্টিতে সব কিছু স্বাভাবিক ও আনন্দময় মনে হলেও, কমলিনীর মনের কোণে অভিমানের কালো মেঘ জমে থাকে। বাইরে উৎসবের আমেজ চললেও, নিজের অবহেলিত হওয়ার কষ্ট তাকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়।

