বর্ষার বিপদের জন্য বাবুকেই চ’ড় মারলো কৃষ্ণা! পর্ণার থেকে মুখ ফেরালো গোটা দত্ত পরিবার!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে চলছে ধুন্দুমার পর্ব। ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব এতটাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে যে দর্শকরা একটি এপিসোডও মিস করতে পারছেন না। ধারাবাহিকের টিআরপিও বেশ নজরকাড়া। সম্প্রতি বেশ বড় বিপদে পড়েছে পর্ণা। সেখান থেকে বাঁচতে হিমশিম খেয়ে উঠছে প্রত্যেকে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন এই মুহূর্তে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছে তাদের দাদা দিদি অর্থাৎ অয়ন আর মৌমিতাকে ওই পাচারকারী চক্রের হাত থেকে রক্ষা করে বাড়ি ফিরিয়ে আনার। কারণ তারা বাড়ি না ফিরলে জেঠী আরো দিন দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। অয়ন আর মৌমিতা এতটাই অকর্মণ্য যে শেষ পর্যন্ত টাকা রোজগারের উপায় হিসেবে ভিক্ষাকেই বেছে নিয়েছিল আর সেটা করতে গিয়েই এখন এক চরম বিপদে পড়ে গিয়েছে তারা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে বর্ষা। তাকে একেবারেই এই সবকিছুর মধ্যে জড়াতে চায়নি পর্ণা আর সৃজন। কিন্তু বর্ষা নিজে যেচে এই উপকার করতে চেয়েছে। অনেকক্ষণ ধরেই সে একজন ভিক্ষুক সেজে গান করতে করতে ভিক্ষা করতে থাকে। সেটা খুব ভালোভাবেই নজরে রাখে বগা। সবাই অপেক্ষা করে কখন বগা আসবে আর তাকে ধরে ফেলবে পুলিশ। এদিকে বগার বুদ্ধিও কিছু কম নেই। সে তার সাথে থাকা মহিলার সাথে একটা প্ল্যান করে। বগা বলে সে দৌড়ে পালাবে আর তাকে ধাওয়া করবে প্রত্যেকেu সেই সুযোগে ওই মেয়েটাকে নিয়ে চলে যেতে হবে। তার কথামতোই সবটা হয়, পুলিশ বগাকে ধাওয়া করে। আর ওই মহিলা চলে যায় বর্ষার কাছে।

বগাকে ধাওয়া করতে করতে পুলিশ যখন রীতিমতো নাকাল তখন দৌড়তে দৌড়াতে হঠাৎ থেমে যায় পর্ণা। তার মনে পড়ে যে যদি সবাই এখানে থাকি তাহলে বর্ষার কাছে কে আছে? এরপর সবাই ফিরে আসে আর দেখে বর্ষা সেখানে নেই কারণ ওই মহিলা বর্ষাকে নিয়ে চলে গিয়েছে আর বর্ষা সাহস করে ওই মহিলার সাথে এগিয়ে গিয়েছে। ওই মহিলা বর্ষাকে জোর করে একটা বাড়িতে ঢুকিয়ে দেয়। ভয় করলেও বর্ষা মনে মনে তার বৌদি ভাইয়ের বলা কথাগুলোই মনে করতে থাকে যে কখনো ভয় পেতে নেই। এদিকে এমন কাণ্ড দেখে প্রচণ্ড অস্থির হয়ে ওঠে পর্ণা। সে যে টোপটা ব্যবহার করতে চেয়েছিল সেটা কোনো রকমের কাজেই লাগলো না উল্টে বর্ষাকে হারিয়ে ফেলল তারা।

আরো পড়ুন: মারকাটারি পর্ব ফুলকির সেটে, ‘আমাকে মুখে মেরেছে, আমিও ওদের পাল্টা মেরেছি’, বললেন দিব্যাণী

বাড়ি ফিরে কান্নায় ভেঙে পড়ে পর্ণা। সবাই বিশেষ করে কৃষ্ণা যখন এই সমস্ত ঘটনাটা জানতে পারে তখন প্রচন্ড রেগে যায় দুজনের ওপর। যে কৃষ্ণা কোনদিনও তার বাবুর গায়ে হাত তোলেনি সে সবার সামনে সৃজনকে চড় মারে। পর্ণা বুঝতে পারে তাদের অনেক বড় একটা ভুল হয়ে গিয়েছে। পর্ণাকে শান্ত থাকতে বলে সৃজন। পর্ণা বলে সে ঠিক বর্ষাকে উদ্ধার করবে কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবে সেটাই বুঝে উঠতে পারে না সে। চয়ন সৃজন পিকলু প্রত্যেকে মিলে বর্ষাকে বাঁচানোর এবং ওই বগাকে ধরার প্ল্যান করতে থাকে।

Back to top button