টান টান উত্তেজনা ‘জগদ্ধাত্রী’তে! উচিত শিক্ষা দিয়ে মেহেন্দি আর উৎসবকে অফিস থেকে বের করে দিল বকশীবাবু!

কয়েক সপ্তাহ ধরেই ‘জগদ্ধাত্রী’ (Jagaddhatri) ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনায় ভরা পর্ব। কৌশিকী মুখার্জির গুলি রহস্য ভেদ করতে নিজের সর্বস্ব দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে জগদ্ধাত্রী। সামনে মৃত সেজে আড়াল থেকে মেঘনাদের মতো লড়ছে জ্যাস সান্যাল। কৌশিকী মুখার্জিকে যে গুলি করেছে তাঁকে শাস্তি দিতে পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে সে।
একচুল এদিক ওদিক হলেই খেলা শেষ! কিন্তু খেলা শেষের আগেই বাজিমাত করবে জগদ্ধাত্রী। গোটা ঘটনার মূলে কে রয়েছে তাও জেনে গিয়েছে সে। এখন শুধু সময় বুঝে অপরাধীকে হাতেনাতে ধরার পালা।
আরো পড়ুন: “তোমার কি মনে আছে, আমাদের প্রথম কোথায় দেখা হয়েছিলো?” মনের মানুষের সাথে সৌমি! কোথায় গেলেন অভিনেত্রী?
জগদ্ধাত্রী বেঁচে রয়েছে নাকি মৃত, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল মুখার্জি বাড়িতে। কিন্তু মৃতদেহ সেজে মুখার্জি বাড়ি উপস্থিত হয়ে সেই সন্দেহ দূর করেছে জ্যাস সান্যাল। অন্যদিকে দিব্যা সেনের হাতে জগদ্ধাত্রীর ডেথ সার্টিফিকেট তুলে দিয়েছেন মিস্টার বটব্যাল। অতএব জগদ্ধাত্রী যে মারা গিয়েছে সে বিষয়ে আর সন্দেহ নেই। কিন্তু এসব কিছুর আড়াল থেকে একে একে ঘুঁটি সাজাচ্ছে জগদ্ধাত্রী। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে গোটা ঘটনায় সঙ্গ দিচ্ছে স্বয়ম্ভু। সকলের এখন একটাই উদ্দেশ্য। কৌশিকী মুখার্জির দিকে গুলি ছোঁড়া অপরাধীদের হাজতবাস করানো।
ধারাবাহিকের আগের পর্বে দেখা যায়, কে বা কারা কৌশিকী মুখার্জির দিকে গুলি ছুঁড়েছে তা জেনে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের পিছনে থাকা অপরাধীদের ভবলীলা সাঙ্গ করার সময় এসেছে এবার। তাছাড়া মৃত জগদ্ধাত্রী কীভাবে জীবন্ত হয়ে গোটা রহস্যের কিনারা করলো, সেটাই এখন বিরাট চমক হতে চলেছে। এদিকে, কৌশিকী মুখার্জীর অফিস থেকে ফোন এসেছে রাজনাথ মুখার্জীর ফোনে। একথা শুনে দিশেহারা বোধ করছে উৎসব, মেহেন্দি আর দেবু।
View this post on Instagram
কৌশিকী মুখার্জীর অফিসে এসে তন্য তন্য করে খুঁজতে শুরু করে কোথায় আছে সেই মোবাইল। আর তখনই কেবিনে আসেন বকশীবাবু। কৌশিকী মুখার্জীর অনুপস্থিতিতে তার কেবিন ঘাটার তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা।

