চক্রান্তের শিকার হয়ে প্রাণ হারালো অরুণবাবু! মামার শেষ ইচ্ছে রাখতে কথার ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নিলো অগ্নি!

এই মুহূর্তে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় সম্প্রচারিত সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি হচ্ছে কথা (Katha)। গত সপ্তাহে টিআরপি (TRP) তালিকা একেবারে শীর্ষে অর্থাৎ বেঙ্গল টপারের জায়গা দখল করতে দেখা গিয়েছিল এই ধারাবাহিকটিকে। চলতি সপ্তাহে বেঙ্গল টপার না হতে পারলেও টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো জায়গাতেই রয়েছে এই মেগা। যতদিন যাচ্ছে আরও জমে যাচ্ছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নায়ক-নায়িকার জুটি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, ভালো এবং সৎ মানুষেরা এই সমাজে বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। অসৎ ব্যক্তিরা তাদের নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে সমস্ত ভালো মানুষদের নিজেদের রাস্তা থেকে সরাতে যা নয় তাই করে থাকে। আর তাতে তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র আফসোস হয় না। নিজের সততা বজায় রাখতে গিয়ে ঠিক এমনটাই ঘটলো ধারাবাহিকের নায়িকা কথার মামা অরুণবাবুর সাথে।
কথা আজকের পর্ব ২৪ মে (Kotha Today Episode 24 may)
মিহিরের রহস্য জেনে ফেলল অরুণ
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অরুণবাবু অনেকদিন ধরেই শংকরকে সন্দেহ করেছিল। তার মনে হচ্ছিল শংকর কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে একটা ঝামেলার সৃষ্টি করতে চাইছে। শঙ্করের পিছু নিতেই সে দেখে, শংকর মিহিরের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে এই কুকর্ম করার জন্য। দুর্ভাগ্যবশত মিহির অরুণকে সেখানে দেখে ফেলে। সে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় আর সঙ্গে সঙ্গে চিত্রাকে সবটা জানায়। অন্যদিকে অরুণ ঠিক করে, সে কর্তাবাবুর কাছে গিয়ে মেজবাবুর সমস্ত কুকীর্তি ফাঁস করে দেবে।
অরুণকে মেরে দিলো জয়দীপ বিশ্বাস
সঙ্গে সঙ্গে চিত্রা জয়দীপ বিশ্বাসকে সমস্ত কিছু জানানোর কথা বলে। মিহির জয়দীপকে সবটা জানায় এবং তার মধ্যে যেটুকু মনুষত্ব বেঁচে ছিল সেটুকুর খাতিরে বিষয়টাকে বকে ধমকে থামিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। জয়দীপ বিশ্বাস তখন বলে, এইসব লাইনে বকে বা ধমকি দিয়ে কিছু হয় না। এরপর কথার মামা কর্তাবাবুর কাছে যাওয়ার সময় জয়দীপ বিশ্বাসের লোক ইচ্ছে করে অরুণকে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলে। এটা দেখে রীতিমত আঁতকে ওঠে কথা। ডাক্তারখানায় নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
আরো পড়ুন: “রোমান্টিক সিন এলেই খুশি হয়ে যায় রাই”- রাইকে নিয়ে অনির্বাণের মন্তব্যে অবাক দর্শক মহল! পর্দার বাইরে কেমন সম্পর্ক সুমন আরাত্রিকার?
ভেঙে পড়লো কথা
এই খবর পেয়ে কথার মামি এবং জুনি দুজনেই খুব ভেঙে পড়ে। এদিকে কথা বুঝে উঠতে পারে না তার এখন কি করা উচিত। শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় অরুণবাবুকে। সবটা জানতে পেরে তাড়াতাড়ি কথার কাছে চলে আসে অগ্নি। এভি কথার কাছে প্রতিজ্ঞা করে, সে তার মামার বলা কথাগুলো রাখবে। সে কথার ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নেবে। কিন্তু মামাকে হারিয়ে এসব শোনার মতন অবস্থায় থাকে না কথা।

