“তুমি আমার দোকান ফেরত দেবে, একদিনের মধ্যে”- অপমানে পাগল হয়ে গেল জেঠু, বিপদে সেই অনুভবের সাহায্য নিতে হল সৃজনকে!

এক ঝাঁক বিপদ নেমে এসেছে দত্ত পরিবারের ওপর। সেই বিপদ গুলোকে সামলে উঠতে পারছে না জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। একটার পর একটা অ্যাটাক করা হচ্ছে তার ওপর। নিজেকে সামলে উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ অব্ধি দিচ্ছে না তার শত্রু। তাদের একসাথে পথের বসানোর এক মারাত্মক পরিকল্পনা করে ফেলেছে সে। বহুদিন ধরে এমন ভাবেই চলছে ধারাবাহিকের গল্প। ফলে একঘেয়েমি ঘিরে ধরেছে দর্শকদের যার প্রভাব পড়েছে টিআরপিতে।

আরো পড়ুন:নতুন ধারাবাহিকে ফিরছে গাঁটছড়া নায়িকা! নীল ভট্টাচার্যের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন অভিনেত্রী!

 

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার অনুরোধে সৃজনের জেঠু অখিলেশ, সৃজনকে তার দোকানের পার্টনার করে। কিন্তু সেটা জানতে পেরে যায় ইশা। এরপর দোকানের জিনিসপত্রে কেমিক্যাল মিশিয়ে জেঠু এবং সৃজনকে নাকানি চোপানি খাওয়ায় সে। সবার সামনে দিয়ে টানতে টানতে সৃজনকে প্রথমে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ি এসে সবাইকে সবটা জানায় পর্ণা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবটা জানতে পেরে মাথায় হাত পরল অখিলেশের। সে ভেবে উঠতে পারেনা এবার কি করবে। সে সময় বাড়িতে চলে আসে পুলিশ আর জানতে চাই অখিলেশ দত্ত কে। কারণ তিনি সেই দোকানের মালিক তাই তাকে ধরে নিয়ে যেতে হবে। এরপর জেঠুকে টানতে টানতে নিয়ে চলে যায় পুলিশ। প্রচন্ড ভেঙে পড়ে সৃজনের জেঠী। এরপর তাড়াতাড়ি করে পর্ণা, সুজনের বাবা, রুচিরা, পিকলু প্রত্যেকে থানায় যায়। পুলিশের সাথে কথা বলে তারা বুঝতে পারে, এত সহজে তাদের দুজনকে বের করে আনা যাবে না। ঠিক তখনই ফোন আসে অনুভবের।

পর্ণা অনুভবের কাছে একজন উকিলের খোঁজ চাইলে অনুভব উকিলের সাথে করে চলে আসে পুলিশ স্টেশনে এবং তার সহায়তায় ছাড়া পায় জেঠু এবং সৃজন। এত বড় একটা উপকারের কথা জানতে পেরে অনুভবের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকে সৃজন। বাড়ি ফিরে পাগলের মতন অবস্থা হয় জেঠুর কারণ এত বড় অপমান তাকে কোনদিনও সহ্য করতে হয়নি। অন্যদিকে অয়ন আর মৌমিতা সব দোষ পর্ণার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। পর্ণাও তখন তাদের ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। সে জেঠুর পাশে থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু সব হারিয়ে মাথার ঠিক রাখতে পারেনা জেঠু।

 

অখিলেশ পর্ণাকে বলে, “ছেলেটার খারাপ অবস্থা দেখে ওকে দোকানে বসিয়েছিলাম। যদি না বসাতাম তাহলে এসব কিছুই হতো না। আমার মান সম্মান সব মাটিতে মিশে গেল। তোমার অনুরোধে আমি এসব করেছি। আমার দোকানেই তালা পড়ে গেল! ওই দোকান তুমি আমাকে ফিরিয়ে দেবে। তাও আবার একদিনের মধ্যে। আমি আর কিচ্ছু শুনতে চাই না।” জেঠুর কথায় চিন্তায় পড়ে যায় সবাই কারণ একদিনের মধ্যে এই সবটা মেটানো তো মুখের কথা নয়। তবে পর্ণা যখন কিছু চ্যালেঞ্জ নেয় তখন সেটা করেই ছাড়ে। আর জেঠুর এই কথাই প্রমাণ করছে আগামী একদিনের মধ্যেই পর্ণা আসল দোষীকে সামনে এনে সব কিছু ফাঁস করে দেবে।

Back to top button