আনন্দীর কারণেই আজ প্রাণে বেঁ’চে ফিরল আদিদেব! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

কিছুদিন আগেই জি বাংলায় (Zee Bangla) শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি শুরু হবার পর থেকে একের পর এক টুইস্টের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটিও দর্শকদের বেশ পছন্দ হয়েছে। ধীরে ধীরে তারাও দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করছে। তাইতো টিআরপিতে প্রথম সপ্তাহেই চমকপ্রদ ফলাফল করেছে ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদি এবং বিজয়াকে অপমান করতে থাকে বাড়ির প্রত্যেকে। নন্দিনীর উস্কানিতে অনিরুদ্ধ দুজনকেই বা’জে কথা বলতে থাকে। এমনকি বিজয়াকে আবারো অ’পমান করার সুযোগ পেয়ে যায় বাড়ির সকলে। এদিকে বাড়ির বাইরে নন্দিনীর কথাতে রকেট এবং আনন্দীর দাদা, বৌদিরা লোক জড়ো করে বিক্ষোভ করতে থাকে। আদি এবং বিজয়ার শাস্তির দাবি করে। যদিও আনন্দী এসে সেই বিক্ষোভ থামানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তাতে কাজ হয় না।

আনন্দী আজকের পর্ব ৯ অক্টোবর (Anondi Today Episode 9 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী সবাইকে থামানোর চেষ্টা করে ঠিক সেই সময় নন্দিনী বিজয়াকে সকলে সামনে দাঁড় করায় এবং বিজয়কে দিয়ে সকলের সামনে ক্ষমা চাওয়ায়। নন্দিনী বিজয়াকে, নিজের মতো করে কথা শিখিয়ে দেয় এবং বিজয়াকে সেটা সবার সামনে বলতে বলে। পুরোটাই নন্দিনী চক্রান্ত, বিজয়াকে অপমান করার জন্য। বিজয়া সবার সামনে হাত জোড় করে বলে সে এমডি পদ থেকে সরে যাচ্ছে সব দায় তার।
এদিকে আদি কিছুতেই তার মায়ের এই অপমান সহ্য করতে পারে না। সে জেদ করতে থাকে সকলের সামনে গিয়ে দাঁড়াবে। ওইদিকে রকেটরা তো এত সহজে ছাড়াও পাত্র নয়। নন্দিনীর কথা মতন রকেট গুণ্ডা নিয়ে এসে বিজয়াকে অপমান করেছে ঠিকই কিন্তু আনন্দী দাদা মোটা অংকের টাকা দাবি করে। নয় ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আর নয়তো তারা আদিদেবকে ছাড়বে না। এই কথা শুনে তো ঘাবড়ে যায় নন্দিনী। সুপায়ন রকেট কে থামাতে গেলে রকেট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তারা টাকা না নিয়ে ছাড়বে না।
আরও পড়ুনঃ টলিপাড়ায় ফের বিচ্ছেদের সুর! বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল!
এদিকে, আদিকে তার বাবা, দাদা ভাই সবাই মিলে কথা শোনাতে থাকে। আদির সিদ্ধান্ত গুলো যে ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। সে ছুটে যায় নিজের মাকে রক্ষা করতে। আনন্দী সবাইকে অনুরোধ করে থামাতে বলে এবং আনন্দী সকলের সামনে জানিয়েছে আদি সকলের কাছে ভগবান কিন্তু দিনের শেষে সে একজন রক্ত মাংসের মানুষ তাই তার কোন দোষ নেই। সবটাই আনন্দীর কপালের দোষ। কথাগুলো শুনে সকলেই শান্ত হয়, রক্ষা পায় আদি। কিন্তু আনন্দীর দাদা বৌদি বেজায় ক্ষেপে যায় আনন্দীর উপরে। এবারে দেখার অপেক্ষা আনন্দীর কপালে কি অপেক্ষা করছে।

