আনন্দীর দৌলতে সামনে এলো আসল মাথা! এবার কোথায় পালাবে নন্দিনী ? দুর্ধর্ষ ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল আদির বাবার ভয়ে বাধ্য হয়ে বিজয়া টেস্টি টামির ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। আনন্দীর হাজার বোঝানো সত্বেও কিছুতেই রাজি হয়না বিজয়া। তার কাছে সবার আগে আদির বাবা, এই সংসার। আদির বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আনন্দী যদি পরের দিন থেকে আর নার্সিংহোমে যায় তাহলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে। আদি প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও তার মা চুপ করিয়ে দেয়। আনন্দী আদিকে বলে ভেন্ডারের থেকে অতিরিক্ত পয়সা কমিশন নিয়ে সুপায়ন এই সমস্ত কাজ করছে, আর বাচ্চাদের খাবারের সেই বিষ মিশিয়ে ছিল। আদি তো এসব শুনে একেবারে অবাক হয়ে যায়। এরপরে আদি আনন্দী মিলে সুপায়নের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতে বেরিয়ে পড়ে।
আনন্দী আজকের পর্ব ৮ জানুয়ারি (Anondi Today Episode 8 January)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি এবং আনন্দী মিলে ভেন্ডারের রাধুনীকে ধরে এনে তার মুখ থেকে সমস্ত সত্যি কথা বের করতে চায়। কিন্তু ওই ভেন্ডারে রাধুনী কিছুই স্বীকার করতে যায় না। সে বারবার বলে সে কিছুই জানে না এই সমস্ত ঘটনা। এরপর আদি ও আনন্দী মিলে যায় ওই ভেন্ডারের জায়গায় যেখানে রান্না হয়, ছদ্মবেশে আসল সত্যিটা কি সেটা খুঁজতেই যায়।
এরপর সেখানে পৌঁছে আদি এবং আনন্দী সব কিছু নিজের চোখে। দেখে কিভাবে পচা শাকসবজি, ভেজাল চাল ডাল দিয়ে রান্না করা হয় নার্সিংহোমের পেশেন্টদের জন্য। আদি তো এসব কিছুই জানতো না এতদিন পর্যন্ত। যদি না আনন্দী তাকে এই জায়গায় নিয়ে আসত তাহলে নিজের চোখকে বিশ্বাসও করতে পারত না আদি। আদি আনন্দী দুজন মিলে এই সমস্ত ঘটনা ফোনে রেকর্ড করতে থাকে প্রমাণ হিসেবে।
আরও পড়ুনঃ আচমকাই উধাও! ধারাবাহিক শেষ হতেই পর্দা থেকে গায়েব! কোথায় হারিয়ে গেলেন ইচ্ছে পুতুলের ময়ূরী?
এরপরে কথায় কথায় তারা জানতে পারে এইসবের পিছনে আসলে রয়েছে সুপায়ন। এদিকে বাড়িতে আনন্দী যাকে আটক করে রেখেছিল তাকে দেখতে পেয়ে বিজয়া তো রেগে যায়। সে কিছুতেই আনন্দীর এই সমস্ত কাজে সমর্থন করে না আর। তার এখন উদ্দেশ্য হল কিভাবে আদির বাবা অনিরুদ্ধকে বাড়িতে নিজের কাছে বেঁধে রাখা যায়। আসলে সংসারটাই তার কাছে সবকিছু। যদি আদির বাবা চলে যায় তাহলে তার আর কোন অস্তিত্বই থাকবে না এটাই মনে করেন তিনি। এবারে দেখা যাক আসল সত্যিটা সামনে আসার পর কি হয়।


