পিঠ বাঁচাতে কাকিমণিকে বলির পাঠাপাঁঠা বানাল নন্দিনী! সম্প্রচারের আগেই ফাঁ’স আগামী পর্ব

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশন জগতের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক প্রদর্শনকারী চ্যানেল হল জি বাংলা। আর এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী (Anondi)। এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়েই ফিরে এসেছে এক পুরনো জুটি। ধারাবাহিকের নায়িকার অসাধারণ অভিনয় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দর্শকদের।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, আনন্দী বুঝতে পেরেছিল সোনার হারটা এই বাড়িরই কেউ চুরি করেছে। তাই কায়দা করে সে বুঝে গেছে এটা কাকিমার কাজ। সে ভাবতেও পারেনি শুধুমাত্র তাকে ছোট করার জন্য একটা মানুষ এত নিচে নামতে পারে বলে। সে আদি এবং বাড়ির অন্যান্য মহিলাদের সাথে হাত মিলিয়ে কাকিমাকে ধরার একটা দারুন পরিকল্পনা বানায়। আর কাকিমার বোকামির ফলে সেখানে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে নন্দিনী।

আনন্দী আজকের পর্ব ৭ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 7 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সোনার দোকানদার এসে ভালোভাবে সোনার হার পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে থাকে। অন্যদিকে নন্দিনী আর কাকিমা দুজন মিলে বেশ মজা নিতে থাকে গোটা বিষয়টার। তারা মনে মনে ধরেই নেয় আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি থেকে বের করা হবে বাড়ির বউকে। সোনার দোকানদার সোনার হার দেখে হাঁ হয়ে গিয়েছে দেখে আরো বেশি উত্তেজনা বেড়ে যায় তাদের।
View this post on Instagram
এরপর দোকানদার বলে ওঠে, সে এত বছর ধরে সোনার ব্যবসা করছে কিন্তু এমন খাঁটি সোনা সে খুব কমই দেখেছে। সবেতেই আজকাল ভেজাল। এমন সোনা সত্যিই আজকাল আর দেখা যায় না। এই সোনার হার একেবারে ১০০% খাঁটি। এটা জানার পর অবাক হয়ে যায় কাকিমণি। তারপর নায়িকা আগের দিন রাতে ঘটা সমস্ত ঘটনা সবার সামনে তুলে ধরে। ভিডিও দেখে সবাই অবাক হয়ে যায়। কেউ বিশ্বাস করতে পারেনা যে বাড়ির ছোট বউ এমন একটা জঘন্য কাজ করতে পারে বলে।
আরও পড়ুনঃ “এমন গর্ব ঘরে, পরের নকল করে”- কাকে ঠেশ দিয়ে এমন কথা বললেন অভিনেতা ভাস্কর ব্যানার্জি❗
বাড়ি ছাড়া কাকিমণি
নন্দিনী বেশ চাপে পড়ে যায়। সে নিজের পিঠ বাঁচাতে সমস্ত দোষ কাকিমার ওপরে চাপিয়ে দেয় আর তারপর নিজে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এদিকে বাড়ির সবাই মিলে কাকিমাকে বাড়িছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়। নায়িকা অনেকবার আটকানোর চেষ্টা করলেও তাতে বিশেষ লাভ হয় না। আনন্দী চেয়েছিল কাকিমার যাতে একটু অনুশোচনা হয় কিন্তু তার ছিটেফোঁটাও তার মধ্যে দেখা যায় না। উল্টে তার ঘৃণা আরো দশ গুণ বেড়ে যায়।

