আনন্দীর হাতে ব্রহ্মাস্ত্র! এবার কোথায় পালাবে নন্দিনী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটিতে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে। আনন্দীকে খুঁজে চলেছে আদি। আদির এই বিপদের দিনে তাকে সাহায্য করছে তার পুলিশ বন্ধু।আরেকদিকে আদি এবং তিতিরের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু এই বিয়ে করতে একদমই চায় না আদি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দী সবার সামনে জানায় মেডিনেসে সকলের চোখের আড়ালে কি কারবার চলছে। পুরনো সিরিঞ্জ, গ্লাভস ইত্যাদি নতুন ভাবে পরিষ্কার করে আবার ব্যবহার করা হচ্ছে। নন্দিনী বুঝতে পারে সে ধরা পড়ে যাচ্ছে। তাই নতুন নাটক শুরু করে। এসবের মধ্যেও তিতির আদিকে দিয়ে সই করাতে চায়। কিন্তু আদি কিছুতেই সই করতে চায় না। এরপর আনন্দী রেজিস্ট্রি অফিসারকে বলে আনন্দী এবং আদির জন্য নতুন করে কাগজ বানাতে। তারপর বাড়ির সবাইকে সাক্ষী রেখেই দুজনে কাগজে কলমে বিয়ে সেরে ফেলে। এদিকে আনন্দী ঠাম্মির খোঁজ করতে থাকে তারপরই সবাই তাকে বলে যে ঠাম্মি অসুস্থ আর নার্সিংহোমে ভর্তি।

আনন্দী আজকের পর্ব ৪ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 4 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী আদির রেজিস্ট্রির পর তারা যায় নার্সিংহোমে ঠাম্মির সাথে দেখা করতে। কিন্তু ঠাম্মি ঘুমাচ্ছে দেখে আদি আনন্দী বেরিয়ে আসে কেবিন থেকে। এরপর দুজনে মিলে অমৃতাকে সঙ্গে নিয়ে সেই ঘরে যায় যে ঘরে আনন্দীকে আটকে রাখা হয়েছিল এতদিন। আদি তো সেই ঘরে যাবার পর বিশ্বাসই করতে পারে না যে আনন্দী এতদিন এই ঘরে আটকে ছিল। আনন্দী জানায় সে অনেকবার এখান থেকে বেরোনোর চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন উপায় পাইনি। এরপর আনন্দী অমৃতাকে দেখায় বাক্সের ভেতরে পুরনো সিরিঞ্জ, গ্লাভস রয়েছে। অমৃতা সব খুলে খুলে দেখতে থাকে।
নতুন প্রমাণ খুঁজে পেল আনন্দী
এরপরে ওই ঘর থেকে বেরোনোর সময় আনন্দী ঘরের কোনায় পড়ে থাকা একটি ঘড়ি দেখতে পায়। ঘড়িটা হাতে নিয়ে আনন্দী বলে এই ঘড়ি আনন্দীর খুব চেনা। যেই ডাক্তার এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত তাকে কেউ নির্দেশ দিচ্ছিল। তার মুখটা দেখতে পায়নি আনন্দী কিন্তু সেই লোকটার হাতে এই ঘড়িটা দেখেছে আনন্দী। এরপর আদিরা ওই ডাক্তারকে খুঁজতে থাকে। কিছুক্ষণ পরে ওই ডাক্তারকে দেখতে পায় আনন্দী। তারপরে ডাক্তারকে ধাওয়া করতে করতে ঠিক তাকে ধরে ফেলে। তারপর অমৃতা ওই ডাক্তারকে চাপ দিতে থাকে সত্যি কথা স্বীকার করার জন্য। ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় নন্দিনী এবং সুপায়ন।
আরও পড়ুন: অবশেষে আদৃতের বাড়িতে হলো শুভলক্ষ্মীর গৃহপ্রবেশ! জমে গেল আজকের পর্ব
নন্দিনী এমন একটা হাবভাব করতে থাকে যেন তারা কিছুই জানেনা এবং যে এই অপরাধ যে করেছে তার কঠিন শাস্তি চায়। এরপরে সুপায়ন ওই ডাক্তারকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে বলে মুখ না খুলতে। কিন্তু ডাক্তার বলে দেয় সে যদি ফাঁস তাহলে ম্যাডামকেও ছাড়বে না। সুপায়ন ডাক্তারের মুখ বন্ধ রাখার জন্য বলে সকালেই তার বেলের ব্যবস্থা করা হবে। এইসব ঘটনার পর আনন্দী যায় ঠাম্মির কাছে। আনন্দীকে দেখে ঠাম্মি তো ভীষণ খুশি হয়ে যায়, তার মন একেবারে আগের মতো চনমনে হয়ে ওঠে। এরপর আনন্দী ঠাম্মিকে কথা দেয় সে আর কোনদিনও ছেড়ে কোথাও যাবে না তারপর। তারপর আদি আনন্দী মিলে বাড়িতে নিয়ে আসে ঠাম্মিকে। ঠাম্মিকে এত তাড়াতাড়ি নার্সিংহোম থেকে নিয়ে এসেছে দেখে, বাড়িতে সবাই রাগারাগি করে। এরপরেই ঠাম্মির কথা মত আনন্দী এবং আদিকে বরণ করে ঘরে তোলা হয়। দেখা যাক এরপরে নতুন কোন বিপদ অপেক্ষা করছে আনন্দীর জন্য।

