আনন্দীর বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ল আদিদেব! শুরুতেই বাজিমাত করলো বিজয়া!

কিছুদিন আগে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জী (Writwik Mukherjee)। দুজনেই দর্শকমহলে বেশ পরিচিত। এর আগেও বিভিন্ন ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন দুজনে। এছাড়াও অন্বেষা এবং ঋত্বিককে জুটি বেধে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে এর আগে। সেই ধারাবাহিকটি ছিল হিট। এবার দেখার অপেক্ষা এই ধারাবাহিকে দর্শকদের মন সমান ভাবে জয় করতে পারে কিনা দুজনে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বিজয়া প্রথম দিন নার্সিংহোমে গিয়ে আনন্দীর সাহসে সমস্ত কাজ ঠিকভাবে করতে পেরেছে। ঠাম্মির কথা মত আনন্দী নার্সিংহোমে খাবার নিয়ে গিয়ে বিজয়াকে দিয়ে এসেছে। সেই সঙ্গে নন্দিনীর অপমানের হাত থেকে রক্ষা করেছে বিজয়াকে। এছাড়া আদি নিজের মায়ের নামে বিনামূল্যে একটি ওপেন হার্ট সার্জারির যোজনা চালু করেছে। অন্যদিকে দেখা গিয়েছে আনন্দীকে চক্রান্ত করে তার দাদা বৌদি পাড়ার গুন্ডা রকেটের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই শুনেই অসুস্থ হয়ে পড়ে তার বাবা।

আনন্দী আজকের পর্ব ২রা অক্টোবর (Anondi Today Episode 3 rd October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দীর বাবা অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর তার দাদা তার বাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তাই আনন্দী সব রকম ব্যবস্থা নিজেই করে। পাড়ার একজন টোটোওয়ালা সাহায্যে সেখানেই অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে তার বাবাকে নিয়ে যায় মেডিনেসে। ওই মুহূর্তে তার আদিদেবের কথাই মাথায় আসে, কারণ আদিদেব হল গরিবদের ভগবান। তাই আনন্দী যদি তার বাবাকে নিয়ে মেডিনেসে নিয়ে যায় তাহলে আদিডেবিভিফিরিয়ে দিতে পারবে না। এই কথা ভেবেই আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে আনন্দী আদিদেবের কাছে সাহায্য চাইতে যায়।
অন্যদিকে অনেক রাত অব্দি আদিদেব মেডিনেসে রোগীদের সেবা করেছে। তারপর তার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে সে ওই কলেজের বান্ধবীর সঙ্গে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। তার কলেজে বান্ধবী আদিদেবকে লং ড্রাইভে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। অনেক অনুরোধ করার পর অবশেষে আদিদেব রাজি হয়ে যায়। এদিকে আনন্দী তখনও নিজের বাবাকে নিয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছায়নি। একদিকে আদিদেব এবং তার বান্ধবী গাড়ি করে বেরিয়ে যায় অন্যদিকে আনন্দী আসে তার বাবাকে নিয়ে। এরপর নার্সিংহোমে এসে আদিদেবের খোঁজ করলে নার্সিংহোমে লোকজন জানায় কিছুক্ষণ আগে নিজের কাজ শেষ করে বেরিয়ে গিয়েছেন তিনি। এই কথা শুনে আনন্দী হণ্যের মতো খুঁজতে থাকে আদিদেবকে। এর পরে ছুটে যায় আদিদেবের গাড়ির পেছনে। আবারও আদিদেবের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে আনন্দীর। এর পরে দেখা যায় আদিদেব আবার আনন্দীকে বকাবকি করতে শুরু করে। আনন্দী তখনই কান্নায় ভেঙে পড়ে আদিদেবকে জানায় তার বাবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আদিদেব যেন তার বাবাকে দেখে আসে। আদিদেব তার বাবাকে দেখলে আনন্দীর বাবা খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে। আনন্দীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখে শক্ত হতে বলে আদিদেব এবং হাসপাতালে চলে যায়।
আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন ছিল মস্ত বড় নায়ক হওয়ার! মেলেনি সফলতা! বর্তমানে রেস্তোরাঁ চালিয়ে দিন কাটছে তার!
এরপরে হাসপাতালে আদিদেব ভালো মতো চিকিৎসা করতে থাকে আনন্দীর বাবার। আদিদেব জানায় পরেরদিন অপারেশন করতে হবে। তার বাবার বুকে পেসমেকার বসাতে হবে। আনন্দী তখন বলে যে তাকে দুটো দিন সময় দিতে সে যে করেই হোক টাকা জোগাড় করে দেবে। তবে আদিদেব জানায় চিকিৎসার জন্য এক টাকাও খরচ করতে হবে না। আনন্দীর বাবার অপরেশন বিনামূল্যে হবে। আনন্দী বারবার আদিদেবকে ধন্যবাদ জানায়। অন্যদিকে এই যোজনার কথা শুনে তো নার্সিংহোমের বাইরে লম্বা লাইন লেগে যায় সাধারণ মানুষের। এই দেখে তো নন্দিনী বেজায় ক্ষেপে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি অপেক্ষা করছে সকলের জন্য।

