ঘটে গেল বিরাট অ’ঘটন! আদিকে রক্ষা করতে পারবে তো আনন্দী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটিতে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে। আনন্দীকে খুঁজে চলেছে আদি। আদির এই বিপদের দিনে তাকে সাহায্য করছে তার পুলিশ বন্ধু।আরেকদিকে আদি এবং তিতিরের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু এই বিয়ে করতে একদমই চায় না আদি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বাড়িতে আদি এবং তিতিরের আশীর্বাদের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে নন্দিনী এবং সুপায়ন নিজের মধ্যে আলোচনা করতে থাকে। অমৃতার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বলে নন্দিনী। আর ঠিক সেই সময় লাহিড়ী বাড়িতে আসে রকেট। রকেট অমৃতাকে দেখে ঠিকই চিনতে পারে। তারপর নন্দিনীকে জানায় যে এই অমৃতাই হলো সেই মহিলা পুলিশ, যে রকেটকে খুঁজছে। এরপর নন্দিনী সুপায়নকে বলে রকেটকে টাকা দিয়ে পাঠিয়ে দিতে। সুপায়ন বাগানে রকেটকে যখন টাকা দিচ্ছিল সেই সময় দেখে ফেলে অমৃতা। রকেটের পেছনে ধাওয়া করতে গিয়ে রকেটের নকল চুল খুলে যায়। তখন অমৃতা চিনতে পারে রকেটকে, কিন্তু ধরতে পারে না। অন্যদিকে আনন্দী ঘর থেকে বেরোনোর জন্য ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

আনন্দী আজকের পর্ব ৩০ নভেম্বর (Anondi Today Episode 30 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর সিকিউরিটি গার্ড দরজা খুলে দেয়। সেই সুযোগে পালিয়ে আসে আনন্দী। অন্যদিকে পল্টুদা অমৃতা এবং আদিকে সমস্ত ঘটনা জানায়। কিভাবে আনন্দী প্রমাণ জোগাড় করার জন্য বেরিয়েছিল। আসলে রকেট একটি মেয়েকে ভাড়া করে আনন্দীকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। যার গলা হুবহু আনন্দীর মতো। সেই মেয়েটিকে খুঁজতেই আনন্দী যাচ্ছিল হালিশহর।
সমস্ত সত্যি সামনে আসে আদির
অমৃতা এবং আদিকে সবটা জানাই পল্টুদা এবং আদি তখন বুঝতে পারে যে এই জন্যই আনন্দী হালিশহর যাচ্ছিল। তারপরে ঐ লোকটি জানায় আনন্দী হালিশহর যায়নি আগে গিয়েছিল মেডিনেসে। আনন্দী হালিশহর যাওয়ার আদিকে সাথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। সবটা শোনার পর অমৃতা বুঝতে পারে মেডিনেসে যত গন্ডগোল লুকিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে সুপায়ন নন্দিনীকে জানায় আনন্দী তাদের সেই চোরাকারবারের খোঁজ পেয়ে গেছিল। তাই আনন্দীকে মাথায় আঘাত করে অজ্ঞান করে সেই ঘরে বন্দী করে রাখে সুপায়ন।
আরও পড়ুন: শূন্য থেকে শুরু করে আজ কোটি টাকার মালিক! কেমন ছিল জিতেন্দ্র থেকে জিৎ হয়ে ওঠার লড়াই!
এদিকে আদি বাড়ি ফিরছে না বলে তিতির নন্দিনীকে সবটা বলে। তারপর আদির বাবা বিজয়াকে চাপ দিয়ে আদিকে বাড়ি ফেরানোর জন্য বাধ্য করে। বিজয়া আদিকে ফোন করে জোর করে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। আদি তার মাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তার মা কিছুতেই বোঝেনা। এদিকে নার্সিংহোমে আনন্দী ওই মেয়েটির মুখোমুখি হয়, যাকে খোঁজার জন্য সে হালিশহর ছুটে যাচ্ছিল। আসলে ওই বাস দুর্ঘটনায় ওই মেয়েটি আহত হয়েছিল তাই আদিবই মেয়েটিকে নার্সিংহোমে ভর্তি করে। আনন্দী মেয়েটির মুখোমুখি হওয়ার পর সমস্ত ঘটনা জানতে পারে। এদিকে আনন্দী ওই কেবিনে আছে দেখে সিকিউরিটি গার্ড তালা বন্ধ করে সুপায়নকে খবর দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

