২১ দিনের আগেই প্রমাণ হাজির! অসাধ্য সাধন করল আনন্দী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি ‘আনন্দী’ (Anondi)। একটু একটু করে ধারাবাহিকের গল্প সকলের মন জয় করে নিচ্ছে। টিআরপি তালিকায় ধীরে ধীরে জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকের জুটি আদি আনন্দীর গল্প বেশ ভালই পছন্দ হচ্ছে দর্শকদের। এভাবে চলতি থাকলে খুব তাড়াতাড়ি প্রতিপক্ষ দলকে টেক্কা দিয়ে দেবে আনন্দী।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে লাহিড়ী বাড়িতেই সেমিনারের আয়োজন করেছে আনন্দী। এই সব দেখে তো আদি আনন্দীর ভীষণভাবে রেগে গিয়েছে, কিন্তু আনন্দী আদিকে বাড়ির পুজোতে বসানোর জন্য এসব করেছে। আর ইতিমধ্যে নিজের মিষ্টি কথার পাচন দিয়ে আদির স্যারের মন জয় করে নিয়েছে আনন্দী।

আনন্দী আজকের পর্ব ৩ নভেম্বর (Anondi Today Episode 3 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দীর এসব কর্মকাণ্ড দেখে আদি ভীষণ রেগে যায় এবং আনন্দীকে কথা শোনাতে থাকে। এদিকে হঠাৎ করে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে আদির স্যার এবং আদিকে বোঝাতে থাকে। আনন্দীকেও অনেক কথা বলেন তিনি। আদি আনন্দীকে চিনতে না পারলেও তিনি ঠিকই চিনতে পেরেছেন। তাই আনন্দীকে ভালোবেসে তার পছন্দের একটি পেন উপহার দেয়। কিন্তু আদি আনন্দীকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না। তাই আনন্দী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য প্রমাণ জোগাড় করতে বাপের বাড়ি চম্পাহাটি ছুটে গিয়েছে। সেখানে গিয়ে সে প্রমাণ জোগাড় করে আনবে। এই কথা সে আদির মা, ঠাম্মি সবাইকে জানিয়ে যায়। কিন্তু আড়াল থেকে সবটা শুনে নেয় আদির কাকিমা চৈতি।
আরও পড়ুনঃ বাবা মাকে হারিয়ে একাই লড়ে যাচ্ছেন তিনি! জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ সুরের রাণী হয়ে উঠেছেন মোনালি ঠাকুর!
এদিকে বাপের বাড়ি পৌঁছে আনন্দী দেখতে পায় তার বাড়ি প্রোমোটারের হাতে দিয়ে ভাঙ্গার ব্যবস্থা করেছে তার দাদা। আনন্দীর অনুমতি ছাড়াই তার দাদা তার বাবার তৈরি করা বাড়ি ভাঙতে শুরু করেছে। তাই আনন্দী গিয়ে বাধা দেয়। কিছুতেই বাড়ি ভাঙতে দেয় না। এই নিয়ে আনন্দে দাদা এবং বৌদির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু আনন্দীর দাদা বৌদি কিছুতেই রাজি হয় না। প্রোমোটারের সঙ্গে আনন্দীকে কথা বলতে বলে আর তখনই আনন্দী দেখতে পায় প্রোমোটার তার চেনাজানা। একসময় আনন্দীর নার্সিং এই তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তাই আনন্দীর কথা ভেবে ওই প্রোমোটার বাড়ি ভাঙতে বারণ করে দেয়।
নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলো আনন্দী
ওদিকে আনন্দী রকেটের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে প্রমাণ জোগাড় করতে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে রকেটের দেখা পায় না। তাই রকেটের গুন্ডাদেরই মারধর করে দড়ি দিয়ে বেঁধে চম্পাহাটি থেকে মেডিনেস নিয়ে আসে আনন্দী। তাদেরকে মারতে মারতে সত্যি কথা স্বীকার করার কথা বলে আদির কাছে। এর পরে দেখা যায় নার্সিংহোমের সামনে অনেক লোক জড়ো হয়ে গেছে। নন্দিনী এবং তিতির আনন্দীকে যা নয় তাই বলে। কিন্তু আনন্দী জানায় সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য এসব করছে। এরপর ভেতর থেকে আদিকে নিয়ে আসে। আদির সামনে রকেটের গুন্ডারা স্বীকার করে ওই ভিডিওটা নকল ছিল। সব শুনে আদি তো অবাক হয়ে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

