একেবারে নতুন রূপে ফিরল তিতির! বন্ধুর ফিরে আসায় বিরাট বিপদে আদি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল আদির মনে টেস্টি টামি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরের দিন যখন সবাই বেরিয়ে যায় রান্না ঘরে এসে আনন্দী এবং সবাই মিলে তাড়াতাড়ি করে বাচ্চাদের খাবার তৈরি করতে লেগে পরে। এদিকে তখনই হঠাৎ করে রান্না ঘরে ঢুকে পড়ে আদি। আদি বলে সে খাবার খেয়েই বুঝতে পেরেছিল সেটা তার মায়ের হাতের রান্না। তারা এই মিথ্যে কথা বলে এই কাজ করে ঠিক করেনি। এরপর নার্সিংহোমে সুপায়ন যখনই সুমনাকে জেরা করতে যাবে তখন আদি ঠিক চলে আসে। এই যাত্রায় আদি বাঁচিয়ে নেয় সুমনাকে।

anondi

আনন্দী আজকের পর্ব ২৫ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 25 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সুমনাকে আদি বাঁচিয়ে দিল দেখে আনন্দী তো খুবই খুশি হয়ে যায়। আদিকে অনেক করে ধন্যবাদ জানায়। এরপর বাড়িতে এসে সবাই মিলে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিল ঠিক তখনই আদি এসে তাদের সাবধান করে। আদি জেনেছে ঠিকই কিন্তু বাড়ির সবাই জানলে কি হবে সেটা সেও জানে না। আর তারপরে আদির ফোনে ফোন আসে এবং আদি চিৎকার করে ওঠে। সবাই তো আদির চিৎকারে ভয় পেয়ে যায়। সবাই জানতে চায় কি হয়েছে। আদি তখন জানায় তিতির আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে। সে এখন মেডিনেসে ভর্তি। এটা শোনার পর আদি নার্সিংহোমে ছুটে যায়। আনন্দীও যেতে চায় কিন্তু আদি তাকে না করে দেয়।

তিতিরের উপর সন্দেহ হয় আনন্দীর

আদি নার্সিংহোমে ছুটে গিয়ে দেখে তিতির বিছানায় শুয়ে আছে। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে আদি জানতে পারে তিতিরের অবস্থা আগের থেকে অনেকটাই ভালো। তারপর আদি তিতিরের সঙ্গে কথা বলে থাকে, তিতির কেন এমন করল সেটা জানতে চায়। তিতির তো কোন কথাই বলতে চায় না। এদিকে আনন্দীর চিন্তা হতে থাকে। কিন্তু বিজয়া, ঠাম্মি সবাই বলে তিতির আদৌ আত্মহত্যা করেছে কিনা সেই নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে। আদিকে ফাঁসানোর জন্য সে যা খুশি তাই করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মাত্র ১১ বছর বয়সে অসাধ্য সাধন করলো প্রিয়াঙ্কা পুত্র সহজ! তার প্রতিভা চমকে দেবে আপনাকেও!

তাই জন্য আনন্দী নার্সিংহোমে ছুটে যায় তিতিরকে দেখার জন্য। সত্যি তিতিরের কিছু হয়েছে কিনা তারও এবার সন্দেহ হয়। এদিকে তিতির আদিকেই নিজের এই অবস্থার জন্য দায়ী করছে। আদি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু তিতির বুঝতে চায়না। আদির মুখে এই সমস্ত কথা শুনে আনন্দী নিশ্চিন্ত হয়। তারপর আনন্দীকে কেবিনের বাইরে দেখে হঠাৎ করে চিৎকার করে ওঠে। তারপর আদিও নার্সিংহোম থেকে বেরোনোর সময় আনন্দীকে দেখতে পায়। বাড়ি ফিরে আদি আনন্দীকে প্রশ্ন করে কেন সে নার্সিংহোমে গিয়েছিল, কি দেখতে গিয়েছিল। আনন্দী বারবার আদিকে বোঝায়, কিন্তু আদি বুঝতে চায় না। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button