সরে গেল মিথ্যের কালো পর্দা! আনন্দীকে খুঁজে পেতে একি করল আদি!

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকমাস ঠিকই তবে ইতিমধ্যে ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। শুরুর সময় থেকে একটু একটু করে জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। প্রথম সপ্তাহের পর থেকে স্লট পাচ্ছে। এখনো প্রতিপক্ষকে হারাতে পারেনি তাও চেষ্টা করে যাচ্ছে প্রতিদিনই।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদি তার মায়ের কথা শুনে আসল সত্যিটা খুঁজতে বেরোয়। এদিকে চৈতি সবটা শুনে নিয়ে নন্দিনীকে খবর দিয়ে দিয়েছে। তাই নন্দিনী তিতিরকে সেটা জানিয়েছে। এরপর আদি গিয়ে পৌছায় রকেটে সেই বাড়িতে যেখানে রকেট এবং আনন্দীর জিনিসপত্র দেখেছিল সে। আদি গিয়ে দেখে সেখানে থাকে একজন বয়স্ক দম্পতি। তাদের কাছে রকেটের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় রকেট তাদের এই বাড়িটা দুদিনের জন্য ভাড়া নিয়েছিল। তখন আদির কাছে সবটাই স্পষ্ট হয়ে যায় যে এই সবটাই ছিল সাজানো।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 23 November, আনন্দী আজকের পর্ব ২৩ নভেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ২৪ নভেম্বর (Anondi Today Episode 24 November)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি তার পরিচিত পুলিশ অফিসার অমৃতা সরকারের কাছে গিয়ে সাহায্য চায় আনন্দীকে খুঁজে বার করার জন্য। এরপর পুলিশ অফিসার আদির কাছে সবটা জানতে চাই। কবে থেকে তাকে খুঁজে পাচ্ছে না, কোথায় গেছিল সবটা। সবটা পরপর বলতে থাকে। এদিকে তিতির নন্দিনীকে জানায় যে আদি রকেটের বাড়িতে গিয়ে সবটা দেখে ফেলেছে, তখন নন্দিনী তো ভীষণ রাগারাগি করতে থাকে তিতিরের উপরে। তার সাজানো প্ল্যান সমস্ত ভেস্তে গেছে শুনে সে কিছুতেই মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেনা।

এদিকে পুলিশের কাছে সবটা জানায় আদি। অমৃতা জানায় সে সব রকম ভাবে চেষ্টা করবে আনন্দীকে খুঁজে বের করার। আদি অমৃতার বাবার প্রাণ রক্ষা করে তার বাবাকে তার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিল। অনেক বড় ঋণ রয়েছে আদির কাছে। আনন্দীকে ফিরিয়ে দিয়ে সেই ঋণ শোধ করবে অমৃতা।

আরও পড়ুনঃ মা বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছিলেন অভিনেত্রী! আত্মীয়দের কুনজর এড়িয়ে আজ টেলিভিশনের প্রধান মুখ পল্লবী শর্মা!

আদি থানা থেকে বেরিয়ে বাড়িতে যায়। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত ছিল তিতির এবং নন্দিনী। দুজনকে দেখে আবার বিরক্ত হয়ে যা আদি, তাই যা নয় তাই বলতে থাকে। তিতির বারবার আদির মাথায় ভুলভাল কথা ঢুকাতে থাকে। কিন্তু এখন আদির চোখ খুলে গেছে। তাই আর কারো কোন কথায় কান দেয় না আদি। এই দেখে বিজয়া মনে মনে বেশ খুশি হয়। অন্যদিকে আনন্দীকে যেখানে বন্দি করে রাখা হয়েছে সেখান থেকে বেরোনোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে সে। নিজের মুখের বাঁধন, হাতের বাঁধন খুলতে চেষ্টা করে কিন্তু বারবার ব্যর্থ হয়। এবারে দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button