টেস্টি টামির পর্দা ফাঁ’স! মায়ের হাতের রান্না খেয়ে সব ধরে ফেলল আদি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল মেডিনেসে আসা আরো একটি অসুস্থ বাচ্চাকে তার সুন্দর জীবন এ ফিরিয়ে দেওয়ার কথা দেয় আনন্দী। আসলে বাচ্চাটির ফুসফুসে সমস্যা রয়েছে। যার কারণে সে খেলাধুলা থেকে দূরে সরে গিয়েছে। আনন্দী কথা দেয় তাকে সুস্থ করে তুলবে। তাই বাচ্চাটার সঙ্গে রাতে সময় কাটায়, বাচ্চাটির সাথে গল্প করে, তার মনের কথা শোনে। বাচ্চাটি অনেকদিন পর আনন্দীর সাথে প্রাণ খুলে কথা বলে। আর সেটাই দূর থেকে দাঁড়িয়ে থেকে তার বাবা। এদিকে আনন্দী বাড়িতে না থাকায় আদি ছুটে যায় নার্সিংহোমে। সেখানে গিয়ে আনন্দীর এসব কাণ্ড দেখে মনে মনে বেশ খুশি হয়। আনন্দী নিজের নার্সিংহোম যাদুতে এবং মিষ্টি পাচন দিয়ে সবার মন জয় করে রাখছে।

আনন্দী আজকের পর্ব ২৩ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 23 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে অনেকদিন পর বাচ্চারা এত তাড়াতাড়ি সুস্থ হচ্ছে দেখে সবাই তো ভীষণ খুশি। নার্স, স্টাফ, ডাক্তার সবাই তো আনন্দীর প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ। যেটা একেবারেই পছন্দ করতে পারছেনা সুপায়ন। তাই জন্য সুপায়ন গিয়ে নন্দিনীর কানে কথাটা তোলে। নন্দিনী সুপায়নকে বলে টেস্টি টাম্মির খোঁজ নিতে। সেখানেই ভেজাল খাবার দেওয়ার প্ল্যান করতে থাকে।
অন্যদিকে আলমারি থেকে সুমনার খাবার ডেলিভারি দেওয়ার দেওয়ার জামা খুঁজে পায় তার বর। আনন্দী কোনরকমে সেখানে থেকে সুমনাকে বাঁচায়। তারপর সুমনা যায় বাচ্চাদের খাবার পৌঁছে দিতে। সেখানে আদি আবার বাচ্চাদের খাবার থেকে খেয়ে খাবারের স্বাদ চিনতে পারে। সেইজন্য ডেলিভারি বয় মানে সুমনাকে ফলো করতে থাকে। কিন্তু সুমনা আদির চোখকে ফাঁকি দিতে গিয়ে নিজের বরের সাথেই ধাক্কা খায় আবার। এদিকে তার তো বেশ চেনা চেনা লাগে। আসলে সুমনাকে সন্দেহ করতে থাকে। কোনরকমে আনন্দী বাঁচিয়ে নেয়।
আরও পড়ুনঃ হয়ে গেল পাকা কথা! কোয়েলের কন্যাকেই ছেলের বউ বানাবে শুভশ্রী! কি মত কোয়েলের?
অন্যদিকে খাবারের বাক্সে দেওয়া টেস্টি টামির ঠিকানায় লোক পাঠায় সুপায়ন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তো কিছুই পায় না। সুপায়নের তখন সন্দেহ শুরু হয়। এদিকে আদির দাদাও বাড়িতে ফোন করে সুমনার খোঁজ করতে থাকে। আদির মা কোনরকমে সামলায়। কিন্তু চৈতি তাদের আলোচনা করতে শুনে নেয়। এবারে দেখা যাক আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

