হলুদ মাখাতে গিয়ে ভাঙল হাত! আদির এক ঘুষিতেই রকেট কুপোকাত! জমে গেল আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় প্রায়শই নতুন নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়। বিভিন্ন ধরনের গল্প দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে চলছে জি বাংলা। সম্প্রতি সেরকমই একটি ধারাবাহিক শুরু হয়েছে জি বাংলার পর্দায় ‘আনন্দী’ (Anondi)। ধারাবাহিকে টেলিভিশন জগতে দুই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী জুটি বেঁধেছেন। আর আগেও আমরা এদের জুটি বাঁধতে দেখেছি। ধারাবাহিকে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দীর জন্য নতুন করে আবার বিজয়া ফ্রি স্কিম শুরু হয়েছে। তার জন্য আনন্দীর কাছে কৃতজ্ঞ আদি, তাই আনন্দীকে ধন্যবাদ জানায়। কিন্তু আনন্দীর জীবনে নেমে আসে নতুন বি’পদ। রকেট আনন্দীকে বিয়ে করার জন্য ক্ষেপে ওঠে। তাই জন্য আনন্দীর দাদা এবং বৌদির বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। আনন্দী বিয়ে করতে না চাইলে তাকে জোর করে ঘরে বন্ধ করে রাখে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১৮ অক্টোবর (Anondi Today Episode 18 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী কিছু বুঝতে পারে না কিভাবে এই বিপদ থেকে সে মুক্তি পাবে। তার মাথাতে কিছুই আসে না। এদিকে আনন্দীর বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তার দাদা বৌদি। সেই সময় হঠাৎই আনন্দী আসছে না দেখে ঠাম্মি চিন্তা করতে থাকে আনন্দীকে নিয়ে, সেই জন্য আনন্দীকে ফোন করে। ফোন করে আনন্দীর থেকে সব জানতে পারে কিভাবে তার দাদা বৌদি জোর করে তাকে রকেটের মতন গুন্ডার সঙ্গে বিয়ে দিচ্ছে। এ কথা শুনে তো ঠাম্মি ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। কি করবে বুঝতে পারে না। আনন্দী জানায় সে এখন পুলিশের কাছে সাহায্য চাইলেই পুলিশ তাকে সাহায্য করতে পারে। এদিকে আনন্দীর সমস্ত কথা শুনতে পাই তার বৌদি এবং আনন্দীর থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে গায়ে হলুদের জন্য তৈরি হতে বলে যায়।
বিপদের মুখে আনন্দী
এবার ঠাম্মিকে চিন্তা করতে দেখে আদি ঠাম্মিকে জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে। ঠাম্মি তখন আদিকে সমস্ত ঘটনা বলে, আনন্দীর সাথে কি কি হচ্ছে। আর আনন্দী তো প্রাণপণ ভাবে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। আনন্দীর গায়ে হলুদের জন্য বাইরে থেকে তার বৌদি দাদা সবাই ডাকাডাকি শুরু করে, সারা না পেয়ে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে দেখে আনন্দী জানলার শিক ভেঙে সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনাই তো আনন্দীর দাদা বেশ ঘাবড়ে যায়। আর রকেটের সমস্ত লোকজনকে আনন্দীকে ধরে আনতে বলে। আনন্দী সবার হাত থেকে পালানোর জন্য স্টেশনের দিকে দৌড়াতে থাকে। কিন্তু তখনই হোঁচট খেয়ে পরে রকেটে সামনে।
আরও পড়ুনঃ পুজোর পরেই স্বামীহারা হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনুরাধা রায়, প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা দেবরাজ রায়
রকেট টানতে টানতে আনন্দীকে নিয়ে আসে বাড়িতে। আনন্দে তখনও বাঁচার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে। কিন্তু রকেটের জোরের সাথে পেরে ওঠে না। রকেট পারেনা সবাইকে জানিয়ে দেয় কোন নিয়ম কানুন পালন হবে না সোজা বিয়ে হবে। রকেট নিয়ে আনন্দীর গায়ে হলুদ দিয়ে দেবে। আনন্দী বারবার তার দাদাকে অনুরোধ করতে থাকে বিয়ে আটকানোর জন্য কিন্তু তার দাদা কোন কথাই কানে নেয় না। এরপরই এন্ট্রি হয় আদির, আদি এসে রকেটকে মেরে সরিয়ে দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কী হতে চলেছে।

