গাড়িতেই কারসাজি! আনন্দীকে বিপদে ফেলতে নতুন ফন্দি! অন্ধকারে তিতিরের ওপর নজর রাখছে অজ্ঞাত দুটো চোখ!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী (Anondi)। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল সুপায়ন আনন্দীকে বিপদে ফেলার জন্য এটা পাথরকে ফুটবল হিসেবে বানিয়ে সবাইকে ফুটবল খেলার মধ্যে যুক্ত করে। তারপরেই হঠাৎ করে সেই ফুটবলে যাতে পাথর দেখা ছিল সেখানে ভাগ্যক্রমে সেই ফুটবলে আনন্দী আহত না হয়ে আহত হয় চৈতি। তারপর গাছের ডাল আনন্দীর মাথায় ফেলে আনন্দীকে আহত করার চেষ্টা করে সুপায়ন। কিন্তু এবারও ব্যর্থ হয়। কোনোভাবেই আনন্দীকে বিপদে ফেলা যাচ্ছে না। বারবার আদি এসে আনন্দীকে রক্ষা করছে।

এদিকে আনন্দীকে কিভাবে মেরে ফেলা যায় সেটা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ করে বাগানের মধ্যে একটা গভীর গর্ত খুঁজে পায় সুপায়ন এবং তিতির। সেখানেই আনন্দীকে ফেলে তাকে মারার প্ল্যান করে তারা। রাতের অন্ধকারেই তারা এই কাজ করবে বলে প্ল্যান করে।
আনন্দী আজকের পর্ব ১৮ জানুয়ারি (Anondi Today Episode 18 January)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সবাই মিলে হইহই করতে করতে দুপুরের খাবার খেয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু ঠিক তখনই দেখা যায় দুটো গাড়ির চাকাই পাংচার হয়ে গিয়েছে। আসলে সুপায়ন এবং তিতির মিলে আনন্দীকে বিপদে ফেলবে বলেই তাদের গাড়ির চাকার হাওয়া বের করে দেয়, যাতে কেউই বাড়িতে ফিরতে না পারে কেউ।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির নকল প্রেমের ফাঁদে রুদ্রর আপন বোন! অজান্তেই দাদার ক’ফিনে শেষ পেরেকটা পুঁ’তলো রিকি?
আনন্দীর তো এই সমস্ত ব্যাপার বেশ অদ্ভুত লাগে। পরপর যেভাবে ঘটনাগুলো ঘটছে তাতে আনন্দীর মনে বেশ সন্দেহ হয়। এদিকে সুপায়ন এবং তিতির মিলে আনন্দীকে যে গর্তে ফেলবে সেখানে ভালো মতো দেখতে যায়। আর তখনই বুঝতে পারি গাছের আড়াল থেকে তাদের উপর কেউ নজর রাখছে। ইতি সুপায়ন তিতির বেশ ঘাবড়ে যায়। চিৎকার করে ডাকতে থাকে। তারপর হঠাৎ গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসে রুশা অর্থাৎ তনুশ্রীর বর অনিন্দ্যর প্রেমিকা। আর এই ঘটনাটা দূর থেকে দাঁড়িয়ে খেয়াল করে আনন্দী। কিন্তু কারা দাঁড়িয়ে কথা বলছে সেটা বুঝতে পারে না। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কোন বিপদ অপেক্ষা করছে আনন্দীর জন্য।

