নন্দিনীর থোঁ’তা মুখ ভোঁ’তা করে ছাড়ল আনন্দী! সফল হল বিজয়া ফ্রী স্কিম! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

মিষ্টি কথার পাচন দিয়ে মনের রোগ ভোলাতে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় এসেছে আনন্দী (Anondi)। মাত্র কয়েকদিন আগে শুরু হয়েছে, আর ইতিমধ্যেই টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করছে। এই ধারাবাহিকটি একের পর এক টুইস্টের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ধারাবাহিকে আনন্দী আদিদেবের জুটি মিলে একের পর এক বিপদ পার করে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আনন্দী তার নার্সিং এজেন্সির বিমলার ছেলেকে নিয়ে মেডিনেসে এসেছে। বিজয়া ফ্রী স্কিমে চিকিৎসা করানোর জন্য। কিন্তু নন্দিনী এই স্কিম বন্ধ করে দিচ্ছিল, ঠিক তখনই আনন্দী এসে আদিকে অনুরোধ করে। আর আনন্দীর বিশ্বাস দেখে আদিও মনে জোর পায়। আর আনন্দীর এই বাড়াবাড়ি দেখে নন্দিনী তো খুবই ক্ষেপে যায়।

আনন্দী আজকের পর্ব ১৬ অক্টোবর (Anondi Today Episode 16 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী তার নার্সিং সেন্টারে বসে বিজয়া স্কিম চালু করার জন্য সকলকে অনুপ্রাণিত করতে থাকে। রাস্তায় রাস্তায় বেরিয়ে প্ল্যাকার্ট হাতে বিজয়া ফ্রি স্কিমের প্রচার করতে থাকে। তখনই আনন্দীকে রাস্তায় বেশ কিছু মানুষের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কারণ এখন প্রত্যেকেই জেনে গিয়েছে যে আনন্দীর বাবার মৃত্যু এই ফ্রি চিকিৎসার ভিত্তিতেই হয়েছে, তারপরেও কেনো আনন্দী এই স্কিমের প্রচার করছে সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয় তার দিকে। তখন আনন্দী জানায় মৃত্যু কারোর হাতে নেই, আর যেখানে আদি এর আগেও বহু মানুষকে নতুন জীবন দিয়েছে সেখানে তাকে ভরসা করাই যায়।
আর আনন্দীর এই প্রচারের ভিডিও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। লাহিড়ী বাড়িতে আদির মা, ঠাকুমা, বৌদিরা সবাই মিলে সেই ভিডিও দেখতে থাকে। আর আনন্দীর মনের জোরের প্রশংসা করতে থাকে। এদিকে চৈতি তো মনে মনে জ্বলতে থাকে। তারপর নার্সিংহোমে বিমলার ছেলের অপারেশনে সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়, তখনই উপস্থিত হয় আনন্দী। আনন্দী আদির জন্য দই চিনি নিয়ে আসে। আসলে কোনো শুভ কাজে যাওয়ার আগে দই চিনি খেয়ে যাওয়া শুভ মনে করা হয়। এরপর শুরু হয়ে যায় অপারেশন। সকলেই প্রার্থনা করতে থাকে। এর মধ্যেই মিডিয়ার লোকজন এসে নানারকম প্রশ্ন করতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ একদিকে পুজোর কার্নিভালে ঋতুপর্ণার নাচ! আবার তিলোত্তমার বিচার চেয়ে জলশঙ্খ বাজিয়ে কুমিরের কান্না! নাটক দেখে ধুয়ে দিল দর্শকমহল
ওইদিকে নন্দিনী আগের বারের মতন সুপায়নকে পেশেন্ট এর ক্ষতি করার জন্য প্ল্যান করতে থাকে। ঠিক আগেরবার যেমন করে আনন্দীর বাবাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, সেই ভাবেই বাচ্চা ছেলেটির প্রাণ কেড়ে নেওয়ার প্ল্যান করতে থাকে। সুপায়ন নন্দিনীর কথা শুনে ওটিতে ঢুকতে যাবে তখনই দেখে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। তারপর নন্দিনী এসে ভিতরে ঢুকতে চাইলে আদি কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেবে না সে কথা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়। তাই এবারে এর নন্দিনীর প্ল্যান সফল হলো না। আর আদির অপারেশন সফল হলো।

