শুধু জন্ম দিলেই হয় না, সন্তানের মনের হদিসও রাখতে হয়! সমাজকে বিরাট বড় শিক্ষা দিল আনন্দী! জমে গেল আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল আনন্দী বাড়ির ভেতরে ঢুকে সেখানে গিয়ে নানান ছলে বলে কিয়ান এবং তার ঠাম্মির ছবি তুলে আনে। এরপর সেই ছবি নিয়েই সবাইকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে তারা কোথাও বয়স্ক এই ভদ্রমহিলাকে দেখেছে কিনা। পার্কে বসে থাকা কয়েকজন বয়স্ক ভদ্র মহিলার থেকে জিজ্ঞাসা করে আনন্দী জানতে পারে কিয়ানের ঠাম্মিকে তার ছেলে বৌমা মিলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছে। তখনই আনন্দী বুঝতে পারে তাই ঠাম্মিকে কাছে না পেয়ে কিয়ান এত কষ্ট পাচ্ছে। আদিকে ফোন করে জানিয়ে দেয় কিয়ান হয়তো তার ঠাম্মিকে খুঁজতে বৃদ্ধাশ্রমে গিয়েছে। তাই বৃদ্ধাশ্রমে গেলেই ঠাম্মি নাতি দুজনকেই একসঙ্গে পেয়ে যাবে তারা। সেখানে গিয়ে জানতে পারে ঠাম্মি নাকি ভোরবেলা থেকে মিসিং, তাকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারপর মেডিনেসে গিয়ে দেখে কিয়ান তার ঠাম্মির সঙ্গে রয়েছে সেখানে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১২ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 12 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে এদিকে কিয়ানের বাবা এসে তো নার্সিংহোমে বকাবকি শুরু করে দেয় কিয়ান এবং ঠাম্মি দুজনকে। কিয়ানের মা ভয় পেয়ে যায় ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে তিনিও বকাবকি শুরু করে। কিয়ান বলে সে তার ঠাম্মিকে খুঁজতেই বেরিয়েছিল। তার বাবা মা তার থেকে ঠাম্মিকে কেড়ে নিয়েছে। ঠাম্মিকে ছাড়া সে কিছুতেই ভালো থাকে না। তাই ঠাম্মির কাছে যাওয়ার জন্য সে বেরিয়ে গিয়েছিল। কিয়ানের কথাগুলো শুনে আনন্দী কিয়ানের বাবা-মা দুজনকেই বোঝাতে থাকে। কিয়ান যেটা ভালোবাসে তার কাছ থেকে সেটা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে কিয়ানের এত শরীর খারাপ, তার মন ভালো করা যাচ্ছিল না। বাচ্চা যার কাছে ভালো থাকে তার কাছ থেকে যদি বাচ্চাদের কেড়ে না হয় তাহলে তারা সুস্থ থাকবে কিভাবে। আনন্দীর মুখে এই কথাগুলো শুনে প্রথমে কিয়ানের এর বাবা ভীষণ রেগে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পরে যখন আনন্দী বললেন এই ঘটনা ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গেও ঘটতে পারে তখন তারা নিজেদের ভুলটা বুঝলেন।
কিয়ানকে খুঁজে পেয়ে আনন্দীকে ধন্যবাদ জানাল সবাই
এরপরে কিয়ানের বাবা মা কিয়ানকে তার ঠাকুমার কাছে ফিরিয়ে দেয়। এতে সবার মুখে বেশ হাসি ফোটে কিন্তু নন্দিনী একমাত্র আনন্দীর প্রশংসা সহ্য করতে পারে না, তাই সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এরপরে আদি হাসিমুখে আনন্দীকে ধন্যবাদ জানায়। তারপর কিয়ানের অপারেশনের জন্য সমস্ত কিছু তৈরি করতে থাকে তারা। বাড়ি এসে আনন্দে জানায় কিয়ানকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে এবং তার ঠাম্মিকেও খুঁজে পেয়েছে তারা। তারপর কিয়ানের অপারেশন সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়।
আরও পড়ুন: “উনি হাতটা আমার স্কার্টের ভিতর ঢুকিয়ে দিলেন”- মুম্বাইতে গাইতে এসে যৌ’ন হে’নস্থার শিকার লগ্নজিতা❗
এদিকে প্রেস কনফারেন্স এ মেডিনেসের সম্মান ফিরে পাওয়ার জন্য নন্দিনী অনেক কিছু আয়োজন করে। সবাইকে দিয়ে মেডিনেসের সুখ্যাতি করায়। পাশাপাশি আদি মিডিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে আনন্দীর নামে প্রশংসা করতে থাকে। যার জন্য আজ কিয়ানকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। সবথেকে বড় ধন্যবাদ দেওয়া উচিত আনন্দীকে। আর আনন্দী যে কেউ নয় সে একজন নার্স এবং আদিদেবের স্ত্রী। এ কথা শোনার কথা আনন্দী তো নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। এদিকে প্রেস কনফারেন্স শেষ হলে আদি নন্দিনীকে বলে নার্সিংহোমে আনন্দীকে আগামীকাল থেকেই নার্স হিসেবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে। প্রথমে নন্দিনী কথাটা হেসে উড়িয়ে দেয় কিন্তু আদি ভীষণই সিরিয়াস ভাবে নন্দিনীকে এই কথাটা জানিয়ে দেয়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

