শেষ চালে কিস্তিমাত! সবাইকে চমকে দিয়ে সত্যিটা প্রমাণ করল আনন্দী! ধরা পড়ল আসল মাথা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী (Anondi)। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল সুপায়নের মুখ থেকে সব সত্যি রেকর্ড করে নিয়ে বেরিয়ে আসে আদি ও আনন্দী। এদিকে ওই রান্নার ঠাকুর লাহিড়ী বাড়ি থেকে পালিয়ে সমস্ত সত্যি বলে দেয় ভেন্ডারের লোককে। এদিকে আনন্দীর দাদা এসে পেনড্রাইভ নিয়ে পালিয়ে যায়। রাতের বেলা আকাশ সুপায়নকে ফোন করে সবটা বলে আর তার বদলে ৫ লাখ টাকা চায়। তারপর পরের দিন যখন সুপায়ন আকাশের থেকে প্রমাণ লোপাট করতে যায়। আদি আনন্দী তাকে ফলো করতে থাকে। আনন্দীরা হাতের নাগালে এসেও ধরতে পারে না।

আনন্দী আজকের পর্ব ১১ জানুয়ারি (Anondi Today Episode 11 January)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে বাড়িতে মেডিনেসের সাফল্যের জন্য পার্টি হচ্ছে। আনন্দী বিজয়া সবাই মিলে পার্টি সেই আয়োজন করছে। কিন্তু সেখানে তাদের থাকার অনুমতি নেই। এরপরে পার্টির মাঝে হঠাৎ করেই সুপায়ন আনন্দীর কাছে এসে তাকে বলে সে তো কিছুই প্রমাণ করতে পারল না। তারপর পার্টির মাঝে সবাই যখন এক এক করে নিজেদের বক্তৃতা দিচ্ছে তখন হঠাৎ করে আনন্দী নিচে নেমে এসে বাধা দেয় সুপায়নকে।
তারপর হঠাৎ করে আনন্দী বলতে শুরু করে সে সুপায়নের নামে কিছু বলতে চায়, সে মেডিনেসের জন্য কতটা পরিশ্রম করে সেটা সবার সামনে দেখাতে চাই। এদিকে আনন্দীর মুখে এই কথা শুনে সুপায়ন ভয় পেয়ে যায়। আনন্দী আদিকে বলে তার ফোনের সঙ্গে বড় স্ক্রিনে কানেক্ট করে দিতে, সে কিছু দেখাতে চায় সবাইকে। এটা শুনে আরো ভয় পেয়ে যায় সে। কিছুতেই আদিকে আনন্দীর ফোনের ভিডিও দেখাতে দিতে চায়না। কিন্তু সুপায়নকে থামিয়ে ঠিক সবার সামনে ওই ভিডিও চালিয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ অপেক্ষার অবসান! দীর্ঘদিন পর ফের ছোট পর্দায় মন ফাগুনের পিহু! নতুন রূপে প্রধান চ্যানেলে সৃজলা!
এরপর ভিডিওতে দেখা যায় সুপায়নের নিজের মুখে স্বীকার করা তার কুকীর্তির কথা। ভেন্ডারের ওখানে ভেজাল জিনিস দিয়ে রান্না করার সব দৃশ্য। আর এটা দেখে তো মিডিয়ার জন্য ক্ষেপে যায় কোনমতে সবাই মিলে মিডিয়ার লোকজনদের থামায়। এরপর আদির বাবা এই সমস্ত দিকে সুপায়নকে সবার সামনেই থাপ্পড় মারে এবং মেডিনেস থেকে বের করে দেয়। বাড়ি থেকেও বেরিয়ে যেতে বলে। সবাই মিলে আদির বাবাকে কোনরকম শান্ত করে। অয়ন্তিকা বাবার পায়ে পড়ে যায় যাতে তার স্বামীকে বাড়ি থেকে বের না করে। কিন্তু কোন কথাই শুনতে চায় না তার বাবা। তবে নন্দিনীর এক কথাতে সুপায়নকে লাহিড়ী বাড়িতে রেখে দেয় অনিরুদ্ধ। কিন্তু এবার আনন্দীকে ছেড়ে দেবে না সুপায়ন। দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

