অনির্বাণের না আছে ব্যক্তিত্ব না আছে বুদ্ধি! যে যা বোঝায় তাই বোঝে! এমন ভেড়া নায়ক চায়না দর্শক!

প্রত্যেকটি মেয়ে নিজেদের জীবন সঙ্গীর মধ্যে যে জিনিসগুলি কামনা করে তার মধ্যে অন্যতম হলো নিজস্ব চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা এবং দৃঢ় ব্যক্তিত্ব। যারা অন্যের কথায় উঠে বসে এবং যাদেরকে মাথায় হাত বুলিয়ে সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব তাদের থেকে ভয়ংকর এবং অনিশ্চিত কেউ হতে পারে না। বর্তমানে ঠিক সেই রকমই মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ।
যারা ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শক তারা জেনে থাকবেন, বিয়ের কিছুদিন আগেও যখন ডোরা আর টিকলু দুজন মিলে অনির্বাণকে রাইয়ের নামে মিথ্যে মিথ্যে নানারকম কথা বানিয়ে বলে, তখন তাদের কথাগুলোকেও মনে প্রাণে বিশ্বাস করে নিয়েছিল অনির্বাণ। তার মনে হয়েছিল রাই ভালো মেয়ে নয়। রাইয়ের থেকে সবটা জানার পরেও তাকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয়নি তার। যখন স্রোত এসে অনির্বাণকে বোঝায় তখন আবার অনির্বাণের মনে হতে শুরু করে যে রাই খারাপ নয়।
অনির্বাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরন এবং ভাবনা চিন্তা করার ভঙ্গি এতটাই অনিশ্চিত এবং ভয়ংকর যে, যখন তখন যে কেউ একটা কিছু বলে দিলেই তার বিশ্বাস ভেঙে যায়। কোন একটা বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করার ক্ষমতা তার মধ্যে নেই। ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনা যে ছবিগুলো অনির্বাণকে পাঠায় সেই ছবিগুলো দেখে সে আবারো অবিশ্বাস করে বসে রাইকে। আর এই অবিশ্বাস তাদের সম্পর্কে এর মধ্যে ফাটল ধরিয়ে দেয়।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণের মা সহিনী অনির্বাণকে বলে, রাই একটা নোংরা মেয়ে। ওর থেকে যত তাড়াতাড়ি মুক্তি পাওয়া যায় ততই মঙ্গল। যত তাড়াতাড়ি এই ডিভোর্সটা হয়ে যাবে তত তাড়াতাড়ি অনির্বাণ মুক্ত হয়ে যাবে। এই জঞ্জালের মধ্যে তাকে আর থাকতে হবে না। দ্বিতীয়বার কোন কিছু চিন্তা না করেই অনির্বাণ ডিভোর্স পেপারে সই করে দেয়। পেপারটাকে একবার পড়ে দেখার প্রয়োজন অব্দি মনে পড়ে না। এমন অদ্ভুত মন-মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ আবার নায়ক হয় নাকি?
আরও পড়ুন: নিম ফুলের মধুতে মহা ধামাকা! স্মৃতি ফিরে এল পর্ণার! ভয় কেঁপে উঠলো মৌমিতা!
পোষা ভেড়া হয়ে গিয়েছে অনির্বাণ
দর্শক বেজায় চটেছে অনির্বাণের ওপর। তাদের মতে শৌর্য অনির্বাণের তুলনায় অনেক গুণ ভালো। অনির্বাণ একবারে নীলাঞ্জনা একবার স্রোত, তার নিজের মা এবং নিজের বোন সবার কথাতেই প্রভাবিত হয়। নিজের থেকে চিন্তা ভাবনা করা এবং খতিয়ে দেখার মতন দৃষ্টিভঙ্গি এবং মন মানসিকতা তার মধ্যে নেই। নায়ক নয়, বরং পোষা ভেড়া হয়ে গিয়েছে সে। এমন নায়ক কে মেনে নিতে পারছে না দর্শক মহল। তাদের মতে রাই জীবনের সবথেকে বড় ভুলটা করেছে অনির্বাণের মতন একজন ব্যক্তিত্বহীন মানুষকে বিয়ে করে।

