স্রোতের কথা শুনে নিজের ভুল বুঝলো অনির্বাণ, জোর করে রাইকে নিজের অফিসে নিয়ে এলো সে! হিংসায় জ্বলে পুড়ে গেল নিলু

কিছু মিষ্টি প্রেমের গল্প সম্প্রচার করছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। এখানে প্রধান নায়িকা রাই হলেও এই ধারাবাহিকে আরো দুই অভিনেত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের সম্পর্কগুলো ধারাবাহিকের সমান ভাবে বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। টিআরপি তালিকাতে একটু একটু করে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা অনেকদিন অনেক কষ্ট সহ্য করার পর অনির্বাণের আগমনে নিজের জীবনে একটুখানি সুখ খুঁজে পেয়েছিল। কিন্তু সেই সব কিছু অবিশ্বাসের দ্বারা এক নিমেষে নষ্ট করে দেয় অনির্বাণ। আর এই বিষয়টা বেশ ভালোমতোই আঘাত করে রাইকে। যেটা বুঝতে পারে স্রোত।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১১ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 11 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই স্রোতকে বলছে, “সেইদিন অনির্বাণ যখন আমার জন্মদিন পালন করেছিল তখন আমার মনে হয়েছিল ওর প্রতি আমার কিছু অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সৌর্য এসে আবার সব তছনছ করে দিলো। অনির্বাণ এখন ভাবে আমার সঙ্গে সৌর্যর একটা সম্পর্ক রয়েছে।” স্রোত বুঝতে পারে অনির্বাণকে কেন্দ্র করে উপর একটা ভালোলাগা তৈরি হয়েছিল রাইয়ের। কিন্তু সেটা কেউ ইচ্ছে করে ভেঙ্গে দিয়েছে। সেটাকে কেউ বিষিয়ে দিয়েছে।
স্রোতের কথায় ভুল ভাঙলো অনির্বাণের
পরের দিন সকাল হতেই স্রোত চলে যায় অনির্বাণ এর কাছে। সেখানে গিয়ে সে অনির্বাণকে বলে, তার ভাবনা-চিন্তা বোধ বুদ্ধি এতটাই ঠুমকো যে যেকারুর কথায় সেগুলো বদলে যেতে পারে। যে তাকে যেভাবে বোঝায় সে সবকিছু সেভাবেই বোঝে। তার নিজস্ব কোন চিন্তা ভাবনাই নেই। তাই সে তার দিদির যোগ্য নয়। এসব শুনে অনির্বাণ বুঝতে পারে সে ভুল করেছে। সে রাইয়ের থেকে সবটা শোনার পরেও বাকিদের কথায় এতটা মনোযোগী হয়ে উঠেছিল যে রাইকে সে ভুল বুঝেছে।
আরো পড়ুন: ‘কাঁকন বড্ড বেড়ে পাকা, ওকে একদম ভাল লাগে না!’- সায়ন্তনীর কথা শুনে কাঁকন একি বলল!
রাইকে নিজের অফিসে নিয়ে এলো অনির্বাণ
পরদিন রাই যখন নিজের নতুন অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়েছে ঠিক তখনই তার পথ আটকায় অনির্বাণ। সে রাইকে বলে, “আমিও ওই একই দিকে যাচ্ছি, তাই আমি তোমাকে পৌঁছে দিচ্ছি।” রাই প্রথমে রাজি হতে না চাইলেও দেরি হয়ে যাচ্ছে দেখে অনির্বাণের কথা মেনে নেয়। এরপর অনির্বাণ রাইকে সোজা নিজের অফিসে নিয়ে আসে আর তার ইস্তফা সম্পর্কিত কিছু বিষয়ে সই করার জন্য তাকে নিজের কেবিনে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে অনির্বাণ রাইকে এমন একটা কাগজে সই করে দিতে বলে যেখানে লেখা আছে, রাই ইস্তাফা দেয়নি সে দুই দিনের ছুটি নিয়েছে। অনির্বাণের এই অসময় ইয়ার্কি একেবারেই পছন্দ হয় না রাইয়ের।

