ছদ্ম বেশ নিয়ে অয়নকে ফাঁসালো সৃজন, প্রমাণ লোপাট করতে পর্ণাকে মারার চেষ্টা করলো অয়ন! ফাঁস ধুন্ধুমার পর্ব!

পাপ লোকানোর জন্য আরো পাপ করে মানুষ। জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে একটার পর একটা খারাপ কাজ করেই চলেছে নায়কের ভাই অয়ন। এই ধারাবাহিকে পরিবারের মধ্যে কূটকচালি করার মানুষ বলতে এতদিন ছিল অয়ন আর মৌমিতা। তবে তাদেরকে খলনায়ক খলনায়িকা বলা চলে না। তবে এইবার তারা যেসব কান্ড ঘটাচ্ছে তাতে করে সেই দলে ইতিমধ্যেই নিজেদের নাম লিখিয়েছে অয়ন মৌমিতা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা গোটা দত্ত বাড়ির সাথে মন্দিরে যায় শিবরাত্রির ব্রত পালন করতে। তারা সবাই শিব ঠাকুরের মাথায় জল ঢালে। সবাই নিজেদের ইচ্ছের কথা ঠাকুরকে জানায়। সৃজন আর তার মা কৃষ্ণা একটা ফুটফুটে ছেলে চায় ঠাকুরের কাছে। অন্যদিকে ধারাবাহিকের নায়িকা একটা সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে চায়। তার কাছে ছেলে আর মেয়ে আলাদা নয়। যারা এমন বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের চরিত্র বদলে দিতে চায় পর্ণা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবার পূজো দেওয়ার পরে সেখানে এসে হাজির হয়েছে অয়ন আর মৌমিতা। এই রাতের বেলায় সানগ্লাস পড়ে মন্দিরে আসে মৌমিতা। তাকে দেখে পাড়ার বউরা বলে, মৌমিতার কি চোখে ছানি পড়েছে এই বয়সে? সে যখন বলে এটা ছানির জন্য নয় এটা সানগ্লাস তখন সবাই তারস্বরে হেসে ওঠে। অয়ন মৌমিতাকে তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে বলে। বাড়িতে অনেক ফল শরবত সব বানানো রয়েছে। যখনই তারা বেরোতে যায় দেখা যায় মানিক সহ পাড়ার কয়েকজন ভোলা বাবার প্রসাদ বানাচ্ছে। অয়ন ভিড়ে যায় তাদের দলে।
অয়ন মানিককে এক গ্লাস দিতে বললে মানিক তাড়াতাড়ি তার দিকে গ্লাস এগিয়ে দেয়। এরপর একটার পর একটা গ্লাস ফাঁকা করে দেয় অয়ন। মানিকরা মনে মনে বলে, অয়নের জন্যই তো এসব আয়োজন করেছে তারা। অন্যদিকে ছদ্মবেশ ধারণ করতে থাকে সৃজন। ছদ্মবেশ ধারণ করে সুন্দর জী সেজে সেখানে চলে আসে সে। এরপর তারা টাকার লোভ দেখিয়ে একটা খেলা শুরু করে। ছদ্মবেশে সৃজন বলে, সে অনেক মানুষ ঠকিয়েছে। তার কথা শুনে আরো একজন বলে ওঠে সেও মানুষ ঠকিয়েছে। এরপর একটা কাপড়ের ওপর তারা টাকার নোট ফেলতে থাকে আর বলে, যার গল্প সব থেকে সেরা হবে সেই সব টাকা পাবে।
আরো পড়ুন: বৈদেহির সব চাল উল্টে দিলো জগদ্ধাত্রী, গলার আওয়াজ শুনে ঋষির খুনিকে ধরলো জ্যাস!
এরপর একে একে প্রত্যেকে গল্প বলে। তাদের মধ্যে সবথেকে বেশি ঠকানোর ওস্তাদ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে গিয়ে অয়ন নেশার ঘরে সব কথা বলে দেয়। আর এই সমস্তটা ফোনে রেকর্ড করে নেয় পর্ণা। তারপর তারা শান্তি মনে বাড়ি ফেরার রাস্তা ধরে। ঠিক এমন সময় একটা গাড়ি এসে পর্ণাকে ধাক্কা দিতে যায় আর ঠিক সেই মুহূর্তে পর্ণা সেখান থেকে সরে যায়। নিজেকে বাঁচাতে পারলেও নিজের ফোনটাকে বাঁচাতে পারে না সে। গাড়িটা ফোনটার ওপর দিয়ে চলে যায়। দেখেই মন খারাপ হয়ে যায় সৃজনের। এত কষ্ট করে যোগাড় করা প্রমাণ কোন কাজেই লাগলো না। তারা তাড়াতাড়ি চলে যায় একটা ফোনের দোকানে আর ফোনটা সারিয়ে দিতে বলে। ফোনটা দেখে দোকানদার বলে, এর অবস্থা এতটাই খারাপ যে এটা আর সারানো যাবে না।

