৭টা মাছ, ১ হাঁড়ি ভাত, ১২টা রুটি! এত খেয়েও কিভাবে মেদহীন থাকেন অদ্রিজা? সেই রহস্যই ফাঁ’স করলেন নায়িকা!

টেলিভিশনের পর্দার (television screen) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অদ্রিজা রায় (Adrija Roy) বাংলা টেলিভিশনের (Bengali television) পাশাপাশি হিন্দি টেলিভিশনেও (Hindi television) বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছেন অদ্রিজা। গত এক দেড় বছর ধরে হিন্দি টেলিভিশন জগতের হয়ে একাধিক ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে কাজ করেছেন অভিনেত্রী, পেয়েছেন বিরাট সাফল্য।
বাংলা টেলিভিশনের ছোট পর্দার হাত ধরে অভিনয় যাত্রা শুরু হয়েছিল অদ্রিজার। বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে দুর্গা দুর্গেশ্বরী, জয় কালী কলকাত্তাওয়ালি, পটল কুমার গানওয়ালা, মৌ এর বাড়ি, বিক্রম বেতালের মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। হিন্দি টেলিভিশন জগতে দুর্গা চারু, ইমলি, কুণ্ডলী ভাগ্যর মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী।
বর্তমানে মুম্বাই শহরের দাপিয়ে কাজ করছে অদ্রিজা। একের পর এক প্রজেক্ট রয়েছে তার হাতে। অভিনেত্রীর নজরকাড়া অভিনয়ের পাশাপাশি তারা নজরকাড়া রূপ রয়েছে। সুন্দর ফিগার, সুন্দর মুখমন্ডলের মাধ্যমে অভিনেত্রী যে কোন পুরুষকে কাবু করতে সক্ষম। তবে দাদাগিরির মঞ্চে এসে একবার রাজ চক্রবর্তী অভিনেত্রীর একটি বিশেষ ক্ষমতা ফাঁস করেছিলেন।
আরও পড়ুনঃ কোথায় হারিয়ে গেলেন ‘ভানুমতির খেল’ ধারাবাহিকের শ্রেয়সী রায়? কেন টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায় না তাঁকে? বর্তমানে কী করছেন তিনি?
অভিনেত্রী নাকি একাই একবারে এক হাঁড়ি ভাত, সাতটা পারশে মাছ এবং বারোটা রুটি খেয়ে ফেলতে পারেন। এরকম ঘটনা আগেই ঘটিয়েছেন অভিনেত্রী। শুটিংয়ের ছুটি থাকার ফলে সেদিন অভিনেত্রী বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে তার রান্নার লোক তার জন্য ভাত, মাছ সব রান্না করে গিয়েছিলেন টিভি দেখতে দেখতে নাকি অভিনেত্রী এক হাঁড়ি ভাত এবং সাতটা পারশে মাছ চোখের নিমেষে শেষ করে দিয়েছেন। কিন্তু এত সমস্ত খাবার খেয়েও কি করে এত স্লিম ফিগার ধরে রেখেছেন অদ্রিজা? তার রহস্যও দাদাগিরির মধ্যে ফাঁস করেছেন তিনি।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন তিনি খেতে অসম্ভব ভালোবাসেন। তার কাছে দু প্যাকেট বিরিয়ানি খাওয়া কোন ব্যাপারই না। কিন্তু কোন রকম বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে তিনি জন্মাননি। খাবার পরে অভিনেতা অভিনেত্রীরা প্রত্যেকেই জিম করেন তিনিও ডায়েট মেনটেন করেন, জিম করেন এটাই তার নিয়মিত রুটিন। সেদিন ছুটি ছিল বলে টিভি দেখতে দেখতে কখন নিমেষের মধ্যে অত খাবার খেয়ে নিয়েছেন সেটা নিজেও বুঝতে পারেননি।

