‘তোর বু’ক গুলো খুলে…’- মীরের আলটপকা মন্তব্যে চরম অপমানিত স্বরলিপি! ‘সবার নজর আমার বু’কে’ ‘আমার তো কিছু গো’পনাঙ্গ রয়েছে…খুব অপমানিত হয়েছিলাম’- সেই অপমান আজও ভুলেনি অভিনেত্রী!

একটি ছোট্ট কথা কখন কিভাবে কার মনে প্রভাব ফেলে সেটা কথক হয়তো বুঝতেও পারেননা। বাক স্বাধীনতার অধিকার থাকলেই যে সবাইকে সবকিছু বলা যায় এমনটা কিন্তু নয়। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ অভ্যাসের বসে স্বাভাবিকভাবে, মজার ছলে এমন অনেক কিছু বলে ফেলেন যা বহুদিন বহুবছর এমনকি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মনে গেঁথে থাকে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল অভিনেত্রী স্বরলিপি চট্টোপাধ্যায়ের (Swaralipi Chatterjee) সঙ্গে।
টলিউডের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন এই স্বরলিপি চট্টোপাধ্যায়। ভূতের ভবিষ্যতে তার অভিনয় দর্শকদের মনে গেঁথে রয়েছে। কখনো তার জীবনের একলা বাঁচার লড়াই, একাই মেয়েকে বড় করে তোলা, কখনো আবার স্বামীর প্রতারণা সব মিলিয়ে সমাজমাধ্যমে প্রায় সবসময়ই স্পটলাইটে থাকেন অভিনেত্রীর স্বরলিপি চট্টোপাধ্যায়।
বর্তমানে ইউটিউব (youtube) নামক প্ল্যাটফর্মে তার একটি পডকাস্ট চ্যানেল রয়েছে। সম্প্রতি অভিনেত্রীর একটি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় যেখানে তিনি তার জীবনের খুঁটিনাটি অনেক কিছুই দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। যার মধ্যে একটি বিষয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো জায়গায় যেকোনো অবস্থাতেই মেয়েদেরকে সম্মান করা প্রত্যেকটি মানুষের প্রাথমিক দায়িত্ব। মেয়েদের এবং মেয়েদের শরীরকে কোনভাবেই হাসি মজার বস্তু হিসেবে দৃশ্যায়িত না করাই একটি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের থেকে কাম্য। কিন্তু এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই সর্বসমক্ষে একবার বেশ প্রস্তুত হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।
এইদিন একটি সংবাদমাধ্যম কর্তৃক গৃহীত এক সাক্ষাৎকার বহু বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী স্বরলিপি চট্টোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় অত্যন্ত লজ্জা পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। প্রত্যেকটি মেয়েরই কিছু ব্যক্তিগত অঙ্গ থাকে, অনেকেই সেগুলি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন আবার অনেকেই সেগুলিকে ব্যক্তিগত রাখতেই পছন্দ করেন।
আরও পড়ুনঃ “সংলাপ বলতে পারব কি না, ভয় করছিল”- অভিনেত্রীর জীবনে মৃত্যুর হাতছানি! ব্রেন স্ট্রোকে ভেঙে পড়েছিল শরীর! সুস্থ হয়ে ফের শুটিং ফ্লোরে সায়ন্তনী মল্লিক!
অভিনেত্রী বলেন, ‘মীর দার মনে আছে কিনা জানিনা, সেই হরিদাসের বুলবুল ভাজা, মীর দা আমার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। আরো অনেকেই ছিলেন সেখানে। ওখানে সবার সামনে উনি বলেন, স্বরলিপি তোর বুকের ফলস ওগুলো খুলে দেতো। তখন সবার নজর আমার বুকের দিকে। ওগুলো তো আমার সিক্রেট পার্ট। আমার কিছু গোপনীয়তা আছে আর সেগুলো আমি গোপন রাখতে চাই। সেদিন খুব অপমানিত অনুভব করেছিলাম। যখন বুঝেছিলাম আমি মানুষের অপমানের পাত্রী হয়ে উঠছি তখন বলেছিলাম, আমি কাজটা করব না।’

