অল্প বয়সে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে! চার মাসের মাথাতেই বিচ্ছেদ! দ্বিতীয় বিয়ের মাসেই অন্তঃসত্ত্বা! মেয়ের চিন্তায় চোখে জল বাবা মার! ছন্নছাড়া জীবন নিয়ে অকপটে সানন্দা বসাক!

টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী হলেন সানন্দা বসাক (Sananda Basak)। বয়েই গেল, গোয়েন্দা গিন্নি, নেতাজি, জয়ী, প্রথমা কাদম্বিনীর মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনেত্রীকে নানান ধরনের চরিত্রে দেখেছি আমরা। বেশিরভাগ সময়েই পজিটিভ চরিত্রে টেলিভিশনের পর্দায় ধরা দিয়েছে অভিনেত্রী। বেশ কয়েক বছর অভিনয় জগতে কাজ করার পর একটা সময় টেলিভিশনের পর্দা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে নিজের ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত সানন্দা।

বর্তমানে ব্যবসার পাশাপাশি সংসার, সন্তান, স্বামী নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তবে একটা সময় জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। পেরোতে হয়েছিল খারাপ সময়। সেই সম্পর্কে একটি রিয়েলিটি শো এর প্ল্যাটফর্মে এসে নিজের সেই খারাপ সময়ের কথা জানিয়েছিলেন সানন্দা। অভিনেত্রী কোনদিনও ভাবতে পারেনি তার জীবনে এরকম দুর্যোগ নেমে আসবে, এভাবে ছারখার হয়ে যাবে তার জীবন।

ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশুনা করতে করতে চাকরি করতেন অভিনেত্রী। আচমকাই অভিনয়ের সুযোগ তাঁর কাছে। অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পেতে থাকেন, দর্শকমহলে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু অন্য দিকে, ব্যক্তিগত জীবন ছারখার হয়ে গিয়েছিল। মা-বাবাকেও সেইসময় নিজের অজান্তেই কষ্ট দিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয় অভিনেত্রী নিজের অজান্তে কি কারণে বাবা মাকে কষ্ট দিয়েছিলেন। সেই উত্তরের অভিনেত্রী জানান, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে নয় তবে আমার জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যার জন্য নিজের অজান্তেই বাবা মাকে আমি একসময় কষ্ট দিয়েছি। আমার বাবা-মা কোনদিনই সেটা প্রকাশ করেনি। আমার জীবনে যখন প্রথমবার বিয়ে হয় তখন আমি খুব ছোট, সেটাও আমার নিজের পছন্দে করেছিলাম।বাবা-মা সতর্ক করেছিল কিন্তু হয়তো আমার কপালে ছিল। সেই সম্পর্ক চার মাসের মধ্যেই ভেঙে যায়। সে সময়টা বাবা মা খুব কষ্ট পেয়েছিলেন।’

আরও পড়ুনঃ নিয়তির পরিহাসে চরম সত্যের মুখোমুখি নায়িকা! পারুলের নিয়তি বদলাতে কি ধামাচাপা দিতে চাইছে শিরিন? প্রকাশ্যে দুর্ধর্ষ প্রোমো!

অভিনেত্রী আরো জানান, ‘সেই সময়ে আমি আর বাড়িতে ফিরিনি। তখন আমি একটা ছোট চাকরি করি আমার মাইনেও খুব কম। বাবা অনেকবার বলেছিলেন ফিরে আসতে কিন্তু আমি নিজের জেদ করেই ফিরে যাইনি। চোখের সামনে মা বাবাকে কষ্ট পেতে দেখতে পারতাম না। তাই জন্য সে সময় চাকরি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। ওই সময়ের মধ্যে অভিনয় জগতে সুযোগ আসে। তারপর সবকিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে সময় পরিস্থিতি সবই পাল্টালো, তার চার বছর বাদে আমি আবার বিয়ে করি। সেটাও আমার পছন্দ। তখন আর মা বাবা আপত্তি করেনি। তারপর থেকে এখনো সবকিছু ভালোই হচ্ছে। এখন আমার এক কন্যা সন্তানও আছে।’

Back to top button