‘বাবার মৃ’ত্যুর পর আমাদের চরম দুরবস্থায় জমি নিয়ে তুমুল অশান্তি…বিয়েতে গয়না দেওয়ার ভয়ে একবার দেখতেও আসেনি!’- জীবনের দুঃসময়ে পাশে থাকেনি কেউ! মাকে নিয়ে একাই লড়েছেন সঙ্ঘশ্রী!

টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির (Tollywood) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন সঙ্ঘশ্রী সিনহা মিত্র। (Sanghasri Sinha Mitra) দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। টেলিভিশনের ছোট পর্দায় নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। হাসিখুশি, খোলা মনের মানুষ সঙ্ঘশ্রী বরাবরই। একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। বেশিরভাগ সময়ই অভিনেত্রীকে আমরা দেখেছি নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করতে। আর তার সেই নেতিবাচক চরিত্র বারবার মন জিতে নিয়েছে সকলের। তবে পজিটিভ চরিত্রেও ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক তাকে বিভিন্ন চরিত্রে দেখা গিয়েছে। কি করে তোকে বলব, ফেলনা, নবাব নন্দিনী সহ একাধিক ধারাবাহিকে দর্শক দেখেছে তাঁকে। টেলিভিশন জগতে শুধু ক্যামেরার সামনে নয়, ক্যামেরার পিছনেও কাজ করেছেন সঙ্ঘশ্রী।

তবে জীবনের একটা সময় অনেক কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। বাবা মারা যাবার পর অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। মাকে নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচার লড়াইয়ে পেরোতে হয়েছে অনেক বাধা। আত্মীয় স্বজন পরিবার কাছের মানুষদের থেকে অনেক অবহেলা পেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

সাক্ষাৎকার অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেক ছোটবেলায় আমার বাবার এক্সিডেন্টে মৃত্যু হয়। আমার বাবা বাইক নিয়ে একদিন বেরিয়েছিলেন রাস্তায় বাইক এক্সিডেন্ট হয়। তারপর থেকে আমাদের জীবনটা অনেক পাল্টে গেল। আগে আমার বাবা বাজার থেকে ভরে ভরে শাকসবজি মাছ নিয়ে আসতো। বাবা মারা যাবার পর বাজার কম আসতে শুরু করল। আগে আমরা যেখানে দুবেলা মাছ খেতাম সেখানে এক বেলা মাছ খেয়ে কাটাতে হলো। আমার ছোট ভাই বোন যারা আমার মায়ের কাছে বেশিরভাগ মানুষ হয়েছে অ আ থেকে শুরু করে গ্রাজুয়েশনের পড়াশোনা পর্যন্ত করেছি, তারা একসময় দূরে সরে যেতে থাকলো।’

আরও পড়ুনঃ ‘ওই একমাস আমার শরীরে কিছু ছিল না, প্রচন্ড কাঁপুনি হতো, বমি হত মনে হতো হাত পা ছিঁড়ে যাবে…’- প্রায় মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিলেন সপ্তর্ষি! নিজের মুখেই বললেন সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা!

‘আমার ছোট কাকা যাকে আমি সব থেকে বেশি ভালবাসতাম সে হঠাৎ পাল্টে গেল। আমার মা যার নিজের গয়না দিয়ে ছোট কাকার সমস্ত ধার শোধ করেছিল নিজের সমস্ত গয়না দিয়ে আমার কাকিমাকে ঘরের বউ করে এনেছিল তারা এক চিলতে জমির জন্য দুর্ব্যবহার করল। আমার বিয়েতে যেতে কোন উপহার দিতে না হয় সেই ভয়তে আর যাতায়াতি বন্ধ করে দিল। এরকম পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছি আমি।’

Back to top button