একদিকে সোহিনী অন্যদিকে নন্দিতা, একই মুদ্রার দুই পিঠ! এরা কি আদৌ ‘মা’ হওয়ার যোগ্য

ছোটবেলা থেকেই কোন জিনিসটা ঠিক এবং কোন জিনিসটা ভুল এটা বিচার করতে শেখায় মা। সেই মা যখন সবকিছুতে অবিশ্বাস করা শুরু করে তখন কোন সন্তান ভালোভাবে বাঁচতে পারে না। নিজের মায়ের কাছেই বারবার অ’ত্যাচারিত হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার মা যদি তাকে বুঝতো তাহলে তার জীবনটা আজ অন্যরকম হতো।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই হাসপাতালে একটি জটিল রোগের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। যতক্ষণ না তার মা জানতে পেরেছে যে তার মেয়ের কি হয়েছে ততক্ষণ অব্দি রাইকে যা নয় তাই বলে দোষারোপ করে গিয়েছে নন্দিতা। নিজের মেয়েকে ছোটবেলা থেকে দেখার পরেও এতোটুকুও বুঝতে পারেনি সে। মেয়ের প্রতি কোন রকমের ভরসা বিশ্বাস আস্থা কোনটাই নেই তার।

MithiJhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, মিঠিঝোরা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 4 September মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৪ সেপ্টেম্বর, মিঠিঝোরা আজকের পর্ব

অন্যদিকে অনির্বাণের মা সোহিনীও ঠিক সেই রকমই। এসে থেকে নিজের ছেলেকে উস্কে চলেছে। সে কখনোই চায় না তার ছেলে সুখী হোক। তাই ছেলের সংসারে থেকে বারবার ছেলের কানে বউমার নামে বি’ষ ঢেলে ছেলে বউয়ের সম্পর্কটাকে বিষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। আর সে ভীষণভাবে সফল হয়েছে এই কাজে। এই মুহূর্তে সে চেষ্টা করছে নিজের ছেলের প্রাক্তন স্ত্রীকে ফিরিয়ে এনে ধারাবাহিকের নায়িকাকে চিরতরে ছেলের মন থেকে মুছে ফেলার।

 

মা হিসেবে বড়ই অযোগ্য নন্দিতা আর সোহিনী

একটু খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে, অনির্বাণের মা সোহিনী নিজের ছেলের হাজার দোষ থাকা সত্বেও ছেলেকে সেই দোষ গুলো আরো বেশি করে করতে উৎসাহ দিচ্ছে আর ছেলের জীবনটাকে অন্ধকারের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। তার কথাবার্তা এবং কার্যকলাপ অনির্বাণকে অসুস্থ করে তুলছে এবং ভুল পথে চালিত করছে। নিজের সমস্ত বিচার বুদ্ধি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণও সোহিনীর তালে নাচছে।

আরও পড়ুন: মালাকে লেজে গোবরে করে ছাড়ল কৌশিকী! জমে গেল আজকের পর্ব

অন্যদিকে রাইয়ের মা নন্দিতা, নিজের মেয়ের কোনরকম দোষ না থাকা সত্ত্বেও পৃথিবীর সবাইকে বিশ্বাস করছে কিন্তু নিজের মেয়েকে বিশ্বাস করছে না। অবিশ্বাসের বশে নিজের মেয়ের সঙ্গে কুকুর ছাগলের মতন ব্যবহার করছে। এতবার ভুল প্রমাণিত হওয়ার পরেও তার মন থেকে অবিশ্বাস যাচ্ছে না। এই দুই মা আদৌ কি মা হওয়ার যোগ্য? আদৌ কি এরা নিজেদের সন্তানদের মঙ্গল চাইতে পারে? আপনাদের কি মনে হয়?

Back to top button