শুরু হলো রাইয়ের জীবন সংগ্রাম! মৃ’ত্যুকে হারিয়ে আর একটা নতুন জীবন আদৌ পাবে তো রাই?

মানুষের জীবন কখন থাকে আর কখন থাকে না তার কোন ঠিক নেই। তাই যতক্ষণ দেহে প্রাণ আছে ততক্ষণ অব্দি প্রত্যেকেই চেষ্টা করে ভালো থাকার, ভালোভাবে বাঁচার আর নিজের প্রিয় মানুষগুলোর আসে পাশে থাকার। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইও বর্তমানে ঠিক সেটাই চাইছে। কারণ তার জীবন এখন অনিশ্চয়তার চর’ম অন্ধকারে নিমজ্জিত। এরপর আদৌ আরো একটা নতুন সকাল সে দেখতে পারবে কিনা সেটা নিজেও জানেনা রাই।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, স্রোতের তৎপরতায় তার আঙ্কেল অর্থাৎ সার্থকের বাবা অন্যান্য গণমান্য ডাক্তারদের নিয়ে একটা ছোটখাটো মিটিং করে এবং সেখান থেকে জানা যায় রাই ক’র্কট রোগে আক্রান্ত। তারপর স্রোত এবং বাকিরা মিলে দ্রুত রায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। ডাক্তাররা তার পরের দিনই অপারেশনের ডেট দেয়। অর্থাৎ রায়ের হাতে রয়েছে আর রাতটুকু। ওইটুকু সময় সে তার নিজের প্রিয় দুই মানুষ বউমণি এবং স্রোতের সাথে কাটাতে চায়।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 2 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইয়ের বাড়িতে সবাই মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া করছে। রাইয়ের মা হঠাৎ করেই অনির্বাণের কথা তোলে। সে বুঝতে পারে আবার তার মেয়ের সংসারে কোন একটা ঝামেলা হয়েছে। তাই কিছু না জেনে বুঝেই সে তার মেয়েকে বোঝাতে থাকে মেয়েদের অনেক মেনে নিতে হয় আর অনেক মানিয়ে নিতে হয়। আসল সত্যিটা কি আর কতটা নোংরা সেটা শুধুমাত্র স্রোত বউমণি আর রাই জানে।
নাচে গানে মেতে উঠল রাই
এরপর খাওয়া-দাওয়া শেষ করে নিজেদের মতন সময় কাটাতে বাড়ির দালানে একসাথে জড়ো হয় রাই, মিষ্টি আর স্রোত। রাই মনে মনে খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে যে, হয়তো এই অপারেশনে তার মৃ’ত্যু ঘটতে পারে। তাই সে এই রাতটাকে নিজের জীবনের শেষ রাত বলে মনে করছে। এই রাতটা সে কোনভাবেই নষ্ট হতে দিতে চায় না। যতটা সুন্দরভাবে উদযাপন করা যায়, এই শেষ রাতটা ততটাই ভালোভাবে কাটাতে চাইছে ধারাবাহিকের নায়িকা। যদিও এই ঘটনায় ভীষণ কষ্ট পাচ্ছে স্রোত আর মিষ্টি। তারা এই পরিণতি মেনে নিতে পারছে না।
আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে এল ঋকের অতীত! এবার কি চুরমার হয়ে যাবে মিহির পরিবার পাওয়ার স্বপ্ন?
এরপর বুক ভোরে শান্তির নিঃশ্বাস নিয়ে রাই নাচ গানে মেতে ওঠে। মাতিয়ে তোলে তার বাকি সঙ্গীদেরও। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে স্রোতের। সে রাইয়ের কষ্টটাও বুঝতে পারে। কিন্তু এমন একটা পরিস্থিতিতে তারা এসে দাঁড়িয়েছে যে এই মুহূর্তে কিছুই করা সম্ভব নয়। পরের দিন সকাল হতেই তারা প্রস্তুতি নেয়। কারণ এইবার তাদের হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে। রাইয়ের জীবনের অনেক বড় একটা পরীক্ষা নিতে চলেছে ভগবান। রাই খুব নিশ্চিন্ত মনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তো হয়ে উঠবে তো রাই? কি মনে হয় দর্শকদের?

