ভূতের কবলে ফুলকি, সফল রুদ্রর প্ল্যান! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। টিআরপি তালিকায় প্রথম সপ্তাহ থেকেই ভালো ফলাফল করছে এই ধারাবাহিক। রোহিত ফুলকির জুটি মিলে প্রতিদিনই বাজিমাত করছে। নতুন নতুন টুইস্ট এর মাধ্যমে দর্শকদের আকর্ষণ ধরে রেখেছে ফুলকি। ফুলকির বক্সার হওয়ার গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিকটি। সেখান থেকে গল্পের নানান রকম মোড় ঘুরে গল্পে আরো টুইস্ট আনা হয়েছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল ফুলকিকে ভয় দেখানোর জন্য রুদ্র প্রতি ধাপে নতুন নতুন প্ল্যান সাজিয়ে চলেছে। অংশুমানকে অনেক আগেই তাই ওই বাংলো বাড়ি থেকে দূরে পাঠিয়ে দিয়েছে রুদ্র। এরপরে ফুলকিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে নানারকম ভাবে। আর সকলকে বিশ্বাস করাতে চাইছে এই বাংলোতে আসলে ভূত রয়েছে। কিন্তু ফুলকি কিছু একটা সন্দেহ করছে পর পর ঘটনাগুলি দেখে।

ফুলকি আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর (Phulki Today Episode 4 October)
ধারাবাহিক আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকিরা সবাই খেতে বসার সময় হঠাৎ করেই লোডশেডিং হয়ে যায়। আসলে রুদ্র প্ল্যান করেই মেইন সুইচ অফ করে দিয়ে পুরো অন্ধকার করে দেয়। এরপরে দীননাথকে লন্ঠন আনতে বলে রুদ্র। সেখানেই রুদ্রকে দিননাথের সাথে ইশারায় কথা বলতে দেখে নেয় ফুলকি।যদিও সে নিজের মনের ভুল বলে বিষয়টাকে অতটা গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু তারপরেই দেখা যায় হঠাৎ করে সেই হ্যারিকেনের কাঁচ ফেটে পড়ে। এই দেখে তো বেশ ভয় পেয়ে যায় সবাই। রুদ্র ইলেকট্রিশিয়ান ডাকার নাটক করতে থাকে। কিন্তু ফুলকির সন্দেহ বেড়েই চলেছে। প্রত্যেকেই হ্যারিকেনের কাঁচ ভেঙে যাওয়ার দীননাথকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে। দীননাথ আবার রুদ্রর শেখানো ভূতের গল্প বলতে থাকে। এরপর সকলেই ভয় পেয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
পরের দিন সকালে ফুলকি এই বিষয়টা নিয়ে বারবার ভাবতে থাকে। ভাবতে ভাবতে চলে যায় সেই বাগানে, আগের দিন যেখানে একটি মেয়েকে দেখতে পেয়েছিল সে। ফুলকি ভাবতে থাকে বাংলো বাড়িটায় সত্যি ভূতের কিনা নাকি তাদের ভয় দেখানোর জন্য এই সমস্ত ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এরপর সেখানে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ দীননাথ এর সাথে দেখা হয় তার। তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করে। দীননাথ বলে এই বাড়িতে মালিকপক্ষের কেউ আত্মহত্যা করেছিল তারপর থেকে তার ভূত ঘুরে বেড়ায়। এই সমস্ত কথা শুনে ফুলকির কৌতূহল বেড়ে যায়। সে দীননাথকে সেই ঘরটার কথা জিজ্ঞাসা করে দীননাথ তখন দোতলার সেই ঘরের চাবি দিয়ে ফুলকিকে যেতে বলে। আর ওপরে দাঁড়িয়ে দীননাথ এবং ফুলকিকে কথা বলতে দেখে নেয় পায়েল।
আরও পড়ুনঃ প্রথম সপ্তাহেই তাক লাগিয়ে দিলো “মিষ্টি কথার পাঁচন-আনন্দী”!
এরপর ফুলকি দোতালা সেই ঘরে পৌঁছালে হঠাৎ করেই ভুতুড়ে সমস্ত অদ্ভুত কান্ড ঘটতে থাকে। আসলে সবটাই রুদ্রর প্ল্যান করা। ফুলকি ভয় পেয়ে তো অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। এরপরে সেই ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে দেয় রুদ্র। আর দীননাথকে বলে খুব সাবধানে বাড়ির পেছনে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যেতে আর কেউ জিজ্ঞাসা করলে যেন বলে সে বাড়িতেই ছিল না। এরপরে পিয়াল, ধানু সকলেই ফুলকির খোঁজ করতে করতে তাদের ঘরে আসে। রোহিতও বলে ফুলকিকে সকাল থেকে দেখেনি। এরপর সকলে মিলে দীননাথকে ডাকে।তখন সে বলে ফুলকির কথা সে জানেনা, সে বাজারে গিয়েছিল সকাল থেকে কারো সাথেই দেখা হয়নি। তখন পায়েল বলে ওঠে সকালেই তো ফুলকির সঙ্গে দীননাথ কথা বলছিল, দীননাথ ফুলকিকে একটা চাবিও দিয়েছে সেটাও দেখেছে সে। তাহলে মিথ্যা কথা কেন বলছে। পায়েলের কথা শুনে দীননাথ ঘাবড়ে যায়। এরপর রোহিত চেপে ধরে সমস্ত সত্যি কথা জানতে চায়। এবার দেখার অপেক্ষা রোহিতরা ফুলকিকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে কিনা।

