“আমাদের মায়েরা অনেক কম জিনিসে খুশি থাকেন, এখন মানুষ তুলনা করতে গিয়ে শান্তি হারাচ্ছে আমি সেটা চাই না”, সাদামাটা জীবনে খুশি পল্লবী

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনে একাধিক বাংলা ধারাবাহিকের চ্যানেল এসে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো জি বাংলা (Zee Bangla)। এই চ্যানেলে এই মুহূর্তে যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তারমধ্যে দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)। এই ধারাবাহিকের প্রধান আকর্ষণ হলো নায়িকা পর্ণা। তাকে নিয়েই আবর্তিত হয়েছে এই ধারাবাহিকের গল্প।

ধারাবাহিকে এই নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী শর্মাকে (Pallavi Sharma)। এর আগে স্টার জলসা (Star jalsha) চ্যানেলে সম্প্রচারিত পাঁচ বছর ব্যাপী চলা জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে আপন কে পর-এ প্রধান নায়িকার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে। সেখান থেকেই তিনি তার জায়গাটা তৈরি করেছিলেন। আর আজ সেই জায়গাটা আরো বিস্তৃত করে চলেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের মতাদর্শ দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রীর জীবনে সবথেকে চ্যালেঞ্জিং বিষয় কী?

অভিনেত্রী জানান, “জীবনটা তো সিরিয়ালের মতন নাটকীয় নয়। তাই সিরিয়ালের মতন চ্যালেঞ্জিং কোন কিছু কখনো আমাকে ঘটাতে হয়নি। তবে হ্যাঁ, আমি যখন এই সিরিয়ালটা শুরু করি তখন এখানে একা একটা গোটা বিল্ডিংয়ে একটা ফ্ল্যাটে থাকা শুরু করেছিলাম। আর সেটা আমার কাছে খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ বেশ ভয় লাগছিল। আর আমি ভুতে ভয় পাই না মানুষে ভয় পাই। তাই একটু আওয়াজ হলেই মনে হতো কেউ হয়তো দাঁড়িয়ে আছে।”

সমাজমাধ্যমে কেন সক্রিয় নন অভিনেত্রী?

পল্লবী জানান, “আমি সব সময় আমার ব্যক্তিগত জীবনের সাথে আমার কর্মজীবনকে পৃথক রাখতে পছন্দ করি। আমি মনে করি কারোর ব্যক্তিগত জীবনে ঢোকা উচিত নয় আর আমিও কাউকে আমার ব্যক্তিগত জীবনে ঢুকতে দিই না। এইজন্য আমার কারো সঙ্গে কোন ঝগড়া ঝামেলা নেই। যদি আমার বিষয়ে জানতে হয় তাহলে তাকে আমার সেই কাছের মানুষটা হতে হবে। এখন নাকি সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয় না হলে কাজ পাওয়া যায় না। কিন্তু আমি মনে করি এই জনপ্রিয়তার জন্য আমাকে আমার জীবনটাকে সবার সামনে খুলে দিতে হবে না। যারা আমাকে ভালোবাসেন তারা কাজের জন্যই ভালোবাসবেন।”l

আরও পড়ুন: রাইয়ের পরে এবার ছেলের বউয়ের ওপর অপবাদ! সকলের সামনে বৌমণিকে “ধান্দাবাজ” বলে অপমান করলো রাইয়ের মা!  

অভিনেত্রী আরো বলেন, “আমাদের মায়েদের কাছে তো সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। তারা ওই একটা ঠাকুর ঘর একটা রান্নাঘর ড্রয়িং রুম আর বেডরুম নিয়ে খুশি থাকতেন। আর অনেক শান্তিতে থাকতেন। আমি সেই শান্তিতেই থাকতে চাই। আমি আমার শিল্পটাকে বিক্রি করি, জীবনটাকে বিক্রি করি না। এই এক বছর আমি যখন বাড়িতে বসে ছিলাম অনেকে জিজ্ঞাসা করেছিল আমি কি ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছি, আর আমি বলেছিলাম এমন কিছুই আমার সঙ্গে হচ্ছে না। কারন আমার কাছে শান্তিটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এটা আমি গাছে জল দিয়ে রান্না করেও পেয়ে থাকি।”

Back to top button