অনিকেতকে ঘরে না তোলার হুমকি দিল শ্যামলী! জমে গেলো আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ (Kon Gopone Mon Veseche)। বেশ কয়েক মাস ধরে এই ধারাবাহিক চলছে টেলিভিশনের পর্দায়। শুরু থেকে আস্তে আস্তে করে ধারাবাহিকটি দর্শকের মনে বেশ ভালই জায়গা দখল করে নিয়েছে। বর্তমানে তো এই ধারাবাহিক দর্শকদের বিশেষ পছন্দের একটি ধারাবাহিক। শ্যামলী এবং অনিকেতের জুটি দর্শকদের পছন্দের। শ্যামলী চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharjee) এবং অনিকেত এর চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু (Ronojay Bishnu)।

ধারাবাহিকটি শুরু থেকেই শ্যামলী এবং অনিকেতের জীবনের নানান ওঠা পড়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। কিভাবে শ্যামলী ধীরে ধীরে নিজের বুদ্ধি কাজকর্মের মাধ্যমে অনিকেতের পরিবারের সকলের মন জয় করে নিচ্ছে, কিভাবে তাদের বিয়ে হয়। সবকিছু দেখে নিয়েছেন দর্শক। বর্তমানে ধারাবাহিকে অনিকেত এবং শ্যামলীর সম্পর্কের ওঠা পড়ার গল্প দেখানো হচ্ছে।

Sweta Bhattacharjee, Ronojay Bishnu, Bengali serial, Serial, Bengali television, Actor, Actress, শ্বেতা ভট্টাচার্য, রণজয় বিষ্ণু, বাংলা সিরিয়াল, সিরিয়াল, অভিনেতা, অভিনেত্রী

গত কয়েকদিনের পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে অনিকেত এবং শ্যামলীকে আলাদা করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে অনিকেতের পুরনো প্রেমিকা অহনা, অনিকেতের দাদা বৌদি এবং তার মা। অনিকেতের মা তার নিজের মা নয় সৎ মা। কিন্তু তাও অনিকেতকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালোবাসে। তবে অনিকেতের জীবনসঙ্গী বাঁচার ক্ষেত্রে বারবার ভুল করেন মহিলা। শ্যামলীকে তার একেবারেই পছন্দ নয়। শ্যামলীকে অনিকেতের জীবন থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য শ্যামলীর সঙ্গে একের পর এক অন্যায় করে চলেছেন তিনি। অন্যদিকে অহনা ও টাকার লোভে অনিকেতের জীবনে আবার ফেরত পেতে চায়। যার কারণে শ্যামলী সঙ্গে বারবার ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হচ্ছে অনিকেতের।

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ১৬ সেপ্টেম্বর (Kon Gopone Mon Veseche Today Episode 16 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে শ্যামলী এবং অনিকেতের ভুল বোঝাবুঝির পর শ্যামলী অনিকেতকে একটি রেস্তোরাঁয় ডাকে। শ্যামলী অনিকেতকে বারবার ভালোভাবে বোঝাতে থাকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য। তবে অনিকেত কিছুতেই বুঝতে চায় না উল্টে শ্যামলীকে ভুল বোঝে। এর পরে দেখা যায় অনিকেত শ্যামলীর উপর রাগ করে শ্যামলীকে অনেক কথা শোনায়। শ্যামলীও তখন অনিকেতের মুখের উপর স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে অহনা ঠিকই তার লোভের কারণে অনিকেতকে বিপদে ফেলবে। তখন অনিকেত শ্যামলীর কাছে এলেও শ্যামলী তাকে আর ফিরিয়ে নেবে না।

অহনা এবং শ্যামলীর মধ্যে পার্থক্য কি বুঝতে পারবে অনিকেত?

কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে চলে যায় শ্যামলী। মাঝপথে রোহিনের সঙ্গে দেখা হয় তার। রোহিনী তাকে বোঝায় শ্যামলীর এই বিপদের দিনে সে তার পাশে রয়েছে। অন্যদিকে অনিকেত গিয়ে পৌঁছায় ফ্ল্যাটে, সেখানে যাওয়ার পর অহনা তাকে জিজ্ঞাসা করে শ্যামলী সঙ্গে তার কি কথা হল। এই বলতে বলতেই অহনা জানায় সে তাদের ফ্ল্যাটের জন্য নতুন কিছু জিনিস অর্ডার করেছে। ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন কিছুই ছিল না তাই নতুন করে সবকিছু অর্ডার করেছে। এরপর অহনা অনিকেতের ক্রেডিট কার্ডটা দিয়ে অনিকেতকে বলে যা বিল হয়েছে দেখে নিতে। অনিকেত ফোন খুলে দেখে অহনা ইতিমধ্যে ৭২ হাজার টাকা খরচা করে ফেলেছে। অহনার এই খরচা দেখে শ্যামলীর ছোট ছোট করা সাশ্রয়ের কথা মনে পড়ে যায়।

আরও পড়ুন: পেশার মাঝে বন্ধুত্ব আসেনা, তাই জানানোর প্রয়োজন বোধ করিনি… সংবাদমাধ্যমে সুদীপাকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি জানালেন কনীনিকা!

এভাবে চলতে থাকলে অনিকেত সত্যিই একদিন বিপদে পড়বে। কারণ বর্তমানে সে গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের অংশ নয়। তাকে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে হবে, নতুন করে চাকরি খুঁজতে হবে। এ সমস্ত ভাবতে থাকে অনিকেত। এবারে দেখার অপেক্ষায় অনিকেত কি কোনদিনই নিজের ভুলটা বুঝতে পারবে? কাঁচ এবং হীরের মধ্যে পার্থক্য কি চোখে পড়বে তার? যদি কোনদিন বুঝতেও পারে শ্যামলী কি ক্ষমা করবে অনিকেতকে?

Back to top button