‘চোখ খুলেছিলেন, হাতও নড়ছিল, তারপর…’, শেষ মুহূর্তের চাঞ্চল্যকর দাবি পরিচালকের! মৃ’ত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে কি করছিলেন ধর্মেন্দ্র?

ধর্মেন্দ্রর ৯০তম জন্মদিন উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে। পরিবার, আত্মীয়রা আশা করেছিলেন তিনি সুস্থ হয়ে ফিরবেন। সবাই ভেবেছিলেন আগের মতোই আবার একবার মিরাকেল ঘটবে। কিন্তু সেই আশা পূরণ হল না। হাসপাতাল থেকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওই অভিনেতাকে শেষ দেখা পাওয়ার স্মৃতি হয়ে রইল— যেখানে পরিবারের সকলে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন, আর বিছানায় অচেতন অবস্থায় ছিলেন ধর্মেন্দ্র।

ভিডিওটি সত্যি কি না, তা নিয়ে পরিবার কিছু বলেননি। তবে প্রকাশ কৌরের কান্নায় ভেঙে পড়া মুখ দেখে বহু অনুরাগীর বুক হাহাকার করে উঠেছিল। তবু সেই দৃশ্য যে শেষ ঝলক হয়ে থাকবে, তা কেউ ভাবেননি। সেই সময় ধর্মেন্দ্রর প্রকৃত শারীরিক অবস্থার কথা সকলের কাছেই অজানা ছিল।

এই প্রশ্নের উত্তর খানিকটা স্পষ্ট করলেন পরিচালক অনিল শর্মা। তিনি বহু বছর ধরে দেওল পরিবারের ঘনিষ্ঠ। শেষ কয়েকদিনে বারবার ধর্মেন্দ্রকে দেখতে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, নায়ককে দেখে মনে হয়েছিল ধীরে ধীরে সাড়া দিচ্ছেন।

অনিল জানান, ধর্মেন্দ্র চোখ খুলেছিলেন, হাত নাড়ছিলেন এবং চিকিৎসকরাও বলেছিলেন তিনি খুব শক্ত মানসিকতার মানুষ। হাসপাতালেও দেখে মনে হয়েছিল তিনি সুস্থতার পথে এগোচ্ছেন। পরিচালক বলেন, ডাক্তাররা আশ্বস্ত করেছিলেন যে অভিনেতা হয়তো শিগগিরই বাড়ি ফিরবেন।

আরও পড়ুনঃ বন্ধ দরজার পিছনে লুক রয়েছে কোন রহস্য? শেষবার ধর্মেন্দ্রকে দেখতে গিয়ে কেন হতবাক হলেন মুমতাজ? কি অবস্থায় ছিলেন অভিনেতা?

তবে বয়স যে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়— তা আর কাটানো যায়নি। অনিল বলেন, “সবাই ভেবেছিলাম জন্মদিনটা ধুমধাম করে পালন করব। কিন্তু বয়সজনিত জটিলতা ক্রমে বেড়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াইটা আর সম্ভব হয়নি।” তাঁর এই স্বীকারোক্তিতে স্পষ্ট, ধর্মেন্দ্র শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করলেও ভাগ্য আর সঙ্গ দেয়নি।

Back to top button