‘তুমি আমাকে এভাবে…’- অভিনেতাকে হারিয়ে শোকে পাথর দেওল পরিবার! ধর্মেন্দ্রর ৯০তম জন্মদিনে কি বললেন হেমা মালিনী?

বলিউডের চিরসবুজ নায়ক ধর্মেন্দ্র চলে গেছেন মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। নভেম্বরের শেষ দিকে তাঁর মৃত্যু যেন পুরো ইন্ডাস্ট্রির হৃদয়ে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। তবু ৮ ডিসেম্বর এসে যখন ক্যালেন্ডার বলল তাঁর ৯০তম জন্মদিন, তখন স্বাভাবিকভাবেই আবেগে ভেঙে পড়লেন স্ত্রী হেমা মালিনী। এক্সে শেয়ার করা বার্তায় তিনি লিখলেন, “ধরমজি, হ্যাপি বার্থডে… আমার হৃদয়।” সংক্ষিপ্ত বাক্য হলেও সেই কথার মাঝে স্পষ্ট ফুটে উঠল বেদনাকে লুকিয়ে রাখা অগাধ ভালবাসা।

হেমা মালিনী লিখেছেন, ধর্মেন্দ্র চলে যাওয়ার পর দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় কেটে গেলেও নিজেকে সামলানো এখনো কঠিন। তিনি চেষ্টা করছেন জীবনের ছিন্ন অংশগুলো ফের জোড়া লাগানোর। তাঁর বিশ্বাস, ধর্মেন্দ্র এখন আত্মারূপে তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন। এই বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিচ্ছে। জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষকে হারানোর যন্ত্রণা তিনি শব্দে প্রকাশ না করলেও অনুভূত হচ্ছে প্রতিটি লাইনের ভিতর।

অতীতের অসংখ্য সুখের মুহূর্তের কথাও মনে করছেন তিনি। হেমা লিখছেন, তাঁদের একসঙ্গে থাকা সময়গুলো কখনোই মুছে যাবে না। সেই স্মৃতিগুলো তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শান্তি। একবার মনে পড়লেই মন ভরে ওঠে সুখে। ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কাটানো হাসিখুশি, নিরুদ্বেগ দিনগুলোর কথা যেন তাঁকে আবার তুলে নিয়ে যায় সেই সময়ের আলোর মধ্যে।

একই সঙ্গে হেমা স্মরণ করেছেন তাঁদের পারিবারিক জীবনও। দু’জনের দুই কন্যা, এষা ও আহানা—এই দুই মেয়েকে পেয়ে জীবন যে আরও সুন্দর হয়েছিল, তা অকপটভাবে জানিয়েছেন তিনি। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, এই সব স্মৃতি তিনি সারাজীবন বুকে আগলে রাখবেন। তাঁর প্রার্থনা, ধর্মেন্দ্র যেন শান্তি আর আনন্দে থাকেন অন্য জগতে।

অন্যদিকে, এষা দেওলও বাবা ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন আবেগে ভরা একটি চিঠি। তিনি জানান, বাবার সঙ্গে তাঁর বন্ধন ছিল অপরিবর্তনীয়। “সারা জীবন, সব জায়গায় আমরা একসঙ্গেই আছি”—এই কথায় যেন ধরা পড়ল মেয়ের হৃদয়ের গভীর টান। বাবাকে তিনি নিজের হৃদয়ের একান্ত জায়গায় সযত্নে রেখে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বলেছেন, বাবার ভালোবাসা তিনি পৌঁছে দেবেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগীর কাছে।

আরও পড়ুনঃ ‘আপনার সৌন্দর্যের মতন আপনার স্নেহও…’- শর্মিলা ঠাকুরের জন্মদিনে ঋতুপর্ণার হৃদয়ছোঁয়া শুভেচ্ছা!

এই জন্মদিন তাই কেক বা উদযাপনের নয়, বরং স্মৃতির আলোয় ধর্মেন্দ্রকে আরও একবার ছুঁয়ে দেখার দিন।

Back to top button