জীবনের প্রতিটি ধাপে চরম ব্যর্থতা,হতাশার অন্ধকারে ডুবে, আত্মঘাতী হতে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী! শুনে আঁতকে উঠল দর্শকরা

আমাদের জীবন সবসময় একই রকম যায় না। উত্থান পতন বা ওঠা নামা লেগেই রয়েছে জীবনে। কেউ কেউ তাতে হেরে না গিয়ে এগিয়ে চলার উদ্দম ফিরে পায় আবার কেউ কেউ তলানিতে এসে ঠেকে।
বলিউডের এই বিখ্যাত অভিনেতার জীবনে এমনই কিছু গল্প রয়েছে যা তাঁকে হতাশার চরম অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছিল। তিনি হলেন অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী। বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে একজন হিসেবে স্থান পেয়েছেন মনোজ। তবে একটা সময় এমন ছিল যখন দারিদ্র গ্রাস করেছিল তাঁকে।

এক সাধারণ কৃষক পরিবারের জন্ম হয়েছিল মনোজের। বিহারের পশ্চিম চম্পারন জেলার বেলওয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। আজ অভিনেতার ঝুলিতে একাধিক হিট সিনেমা এবং একাধিক পুরস্কার রয়েছে। এমনকি পদ্মশ্রী সম্মানও পেয়েছেন তিনি।
তবে শোনা যায় একটা সময় এমন হয়েছিল যখন জীবন সম্পর্কে একটি কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন মনোজ বাজপেয়ী। এক সাক্ষাৎ করে নিজের জীবনের এক কঠিন অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছিলেন মনোজ নিজেই। এখন সাফল্য পেলেও শুরুটা এত মসৃণ ছিল না অভিনেতার জন্য। বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা এবং তিনবার ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামাতে সুযোগ না পেয়ে শেষমেষ আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন তিনি। সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোট থেকেই চরম দারিদ্র দেখেছেন নিজের চোখে।
![]()
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় পাঠরত অবস্থায় থিয়েটারে যুক্ত হয়েছিলেন মনোজ। এরপর অভিনয় আসার কথা পরিবারকে জানালে বাবা মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে মনোজকে সাহায্য করতে পেরেছিলেন। তারপর ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামাতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও ভাগ্য মদত দেয়নি।
সেই সময় হতাশা তৈরি হয় মনের মধ্যে। ঠিক তখনই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিলেন মনোজ বাজপেয়ী কিন্তু বন্ধুরা আটকে দেয় অভিনেতাকে।খাদ্য ও বাসস্থানের জোগাড় করতে গিয়ে মুম্বইতে এসে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হতো মনোজকে। তারপর শেষমেষ চার বছর লড়াই করে দূরদর্শনে মহেশ ভাটের টেলিভিশন সিরিয়াল স্বভিমানে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।

