১৮ দিনের ভেন্টিলেশন! ২২ দিনের কঠিন লড়াই! তারপরেই সব শেষ! টলিপাড়ায় শোকের ছায়া!

নতুন বছর শুরু হতে না হতেই একের পর এক দুঃসংবাদ শোনা যাচ্ছে। টলিউডের (Tollywood) জনপ্রিয় অভিনেত্রীর (Famous Actress) জীবনে নেমে এলো বিরাট বড় দুঃসংবাদ। নতুন বছর শুরু হওয়ার জন্য একদিকে যেমন চারিদিকে খুশির আবহাওয়া ঠিক তেমনি এই খুশির মাঝেই অভিনেত্রীর জীবনে শোকের ছায়া। বছরের শুরুতেই তার জীবনে যে এরকম দুঃসংবাদ নেমে আসবে সেটা বুঝতেই পারেনি কেউ।

জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী রনিতা দাসের জীবনেও নেমে এলো সেইরকম বিপদ। হঠাৎ করেই অভিনেত্রীর জীবনের দুঃসংবাদের কথা শুনে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন দর্শক। ধন্যি মেয়ে, ইষ্টি কুটুমের মতন একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন রনিতা। ইষ্টি কুটুম ধারাবাহিক তো তাকে একসময় জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল।

তবে ইষ্টি কুটুম ধারাবাহিক চলার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। ধারাবাহিক চলাকালীন মাঝ পথেই অভিনয় থেকে সরে যেতে হয় তাকে। প্রযোজনা সংস্থা থেকে বলা হয়েছিল শুটিং করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি তাই তিনি ধারাবাহিক ছেড়ে দেন। অভিনেত্রী সেই সময় জানিয়েছিলেন তাঁর শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল, মেরুদণ্ডেতে প্রচণ্ড ব্যাথা এবং ওজন বৃদ্ধির কারনেই ইষ্টি কুটুম ছেড়েছিলেন তিনি।

এবারে আবারো দুঃসংবাদ নেমে এলো অভিনেত্রীর জীবনে। বছর শুরুতেই দুর্ঘটনার কালো ছায়া নামল। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে জানালেন ২২ দিনের কঠিন লড়াইয়ের কাহিনি। অভিনেত্রীর এই লড়াইয়ের গল্প শুনে চোখে জল এসেছে অনুরাগীদের।

প্রয়াত হয়েছেন রণিতার দিদা নিরুপমা রায়। তাতেই ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী। দিদার মৃত্যুর পর একাধিক ছবি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে লিখেছেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর টানা ২২ দিনের লড়াই আর ১৮ দিন ভেন্টিলেশনে থাকার পর আমার প্রিয় দিদা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। আমার সমস্ত কথায় মাথা নাড়িয়ে রেসপন্ড করতেন। হাসপাতালে আমি যখন তাঁর হাতটি ধরতাম আমাদের ছোটবেলার সুন্দর সময় মনে পড়ত, ভালোবাসা আর যত্নে আমার এই হাতটা ধরেই দিদা আমাকে এগিয়ে চলার পথ দেখিয়েছিলেন।’

আরও পড়ুনঃ দেশে ফিরেই ভয়াবহ দু’র্ঘটনার কবলে সৌরভ কন্যা! বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় ঘটলো ভয়ংকর কান্ড! কেমন আছেন সানা?

অভিনেত্রী আরো লেখেন ‘আমি খুব মিস করব কিন্তু জানি যে দাদু (মদনমোহন রায়) পরপারে অপেক্ষায় রয়েছেন। সেখানেই তো শান্তি দিদার। এবার আমার মধ্যেই রায় পরিবারের ঐতিহ্য বেঁচে থাকবে। এই দুটো মানুষের একমাত্র নাতনি হিসেবে আমি অত্যন্ত গর্বিত, কৃতজ্ঞ এবং আশীর্বাদধন্য। সবসময় এঁদের ‘বাবু’ আর ‘দাদু’ই থাকব। আর আমি জানি, আমার এই গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল ওপার থেকেই আমায় রক্ষা করবেন, দেবেন আশীর্বাদ।’

Back to top button