“কুড়ি টাকা বাঁচাতে হেঁটে অডিশন দিতে গেছি, মাকে চাকরি ছাড়তে হয়েছে”- কেমন ছিল মফস্বলের আরাত্রিকার রাই হয়ে ওঠার লড়াই!

ধারাবাহিক (Television Serr) গুলির হাত ধরেই অনেকসময় অপরিচিত অভিনেতা অভিনেত্রীরা রাতারাতি সেলিব্রেটি হয়ে ওঠে। সেরকমই একজন হলেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity)। খুব বেশিদিন হয়নি অভিনয় জগতে পা রেখেছে আরত্রিকা (Aratrika Maity)। তবে এর মধ্যেই নিজের নাম, খ্যাতি সমস্তটা অর্জন করে নিয়েছে নিজের অভিনয়ের যোগ্যতায়। জি বাংলার (Zee Bangla) ‘খেলনা বাড়ি’ (khelna Bari) ধারাবাহিকের হাত ধরেই দর্শকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে আরাত্রিকা। বর্তমানে অভিনয় করেছে জি বাংলার মিঠিঝোরা (Mithijhora) ধারাবাহিকে।
মাত্র ২০ বছর বয়সেই ধারাবাহিক জগতে নিজের পাকাপাকি ব্যবস্থা করে নিয়েছে। কিছুদিন আগেই নিজের উপার্জন কিনেছেন বাড়ি। তার সাফল্যে গর্বিত তার বাবা মা, বন্ধুবান্ধব সকলেই। অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতে দারুণ অ্যাক্টিভ থাকেন আরাত্রিকা। সোশ্যাল মিডিয়াতে মাঝে মধ্যেই তাকে ছবি, ভিডিও পোস্ট করতে দেখা যায়।
জি বাংলার খেলনা বাড়ি ধারাবাহিকের হাত ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধারাবাহিকটি চলায় প্রত্যেকের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে মিঠিঝোরা ধারাবাহিকে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে দর্শকের কাছে। এত ভালোবাসা, এত পরিচিতি পাওয়ার জন্য অভিনেত্রীকে একটা সময় অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে। সম্প্রতি সেই স্ট্রাগলের কথাই এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন অভিনেত্রী।
সাক্ষাৎকার স্ট্রাগলের কথা জানালেন আরাত্রিকা
আরাত্রিকাদের আসল বাড়ি ঝাড়গ্রামে। অভিনেত্রী জানান “আমাদের পৈত্রিক বাড়ি বলে কোনদিনই কিছু ছিল না। ঝাড়গ্রামে আমরা ভাড়া বাড়িতেই থাকতাম। যদি নিজেদের বাড়ি বলতে কিছু হয় তাহলে সেটা কলকাতাতে এসেই। কাজ করে উপার্জন করার পর গাড়ি-বাড়ি সব কিনেছি। ভগবানের আশীর্বাদ না থাকলে হয়তো কোনদিনই সম্ভব হতো না। আমার বাবা-মা নিজেদের কাজ ফেলে আমার জন্য কলকাতায় এসে রয়েছেন। আমার মা চাকরি করতেন, সেই চাকরি ছেড়ে কলকাতায় আমার জন্য রয়েছেন।”
আরও পড়ুন: দীর্ঘ ২২ বছর পর ফের পর্দায় প্রসেনজিতের নায়িকা! এই বয়সেও ডাকসাইটে সুন্দরী শিল্পা ভট্টাচার্য!
অভিনেত্রী আরো জানান “শেষ ৬/৭ বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে আমি কলকাতায় এসেছি। ছোট থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন ছিল। ছোটবেলায় অনেক থিয়েটার করেছি, যার জন্য কলকাতায় এসে বাবা মায়ের সাথে অডিশন দিতাম। তবে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য অনেক বছর সময় লেগেছে। এমন অনেক ভুলভাল জায়গায় আমি অডিশন দিতে চলে গিয়েছিলাম যেখানে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে, বারুইপুরের কোন এক অন্ধকার গলিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে যেখান থেকে আমি বেরিয়ে আসতে পেরেছি কারণ আমার সাথে সবসময় আমার বাবা-মা ছিলেন।”

