অনির্বাণের ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে দিল নন্দিতা! সবার অলক্ষে ভ’য়ংকর কাণ্ড ঘটালো সে!

কেউ নিজের ঘাড়ে দোষ নিতে চায় না। বিপদে আপদে সবসময় নিজের ঘাড় থেকে সমস্ত দায় ছেড়ে ফেলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে বেশিরভাগ মানুষ। সমস্ত দায় ঝেড়ে ফেলার সাথে সাথে সামনে থাকা যেকোনো একজনের কাঁধে সবটা চাপিয়ে দিয়ে নিজের মুক্ত হয়ে যেতে চায় সে। এবার ঠিক এমনটাই করল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এক ভয়ঙ্কর অ্যাক্সিডেন্ট ঘটে গিয়েছে, রাইয়ের সাথে। যদিও এটা অ্যাক্সিডেন্ট নয়, সেই ঘটনার সাথে উপস্থিত প্রত্যেকের দাবি রাই ইচ্ছে করেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য চলন্ত গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়েছিল। ইতিমধ্যেই তার দেহ সনাক্ত করেছে অনির্বাণ আর স্রোত। মুখ দেখে কিছু বোঝা না গেলেও তার পরনে থাকা শাড়ি আর ব্লাউজ প্রমাণ করে দিয়েছে ওটাই রাই।

Bengali serial

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ৩০ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 30 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে প্রত্যেকেই। নন্দিতা পুলিশকে বলে, “ওই ছেলেটা আমার মেয়ের জীবনটা এভাবে শেষ করে দিয়েছে। ওকে বিয়ে করেই আমার মেয়েটা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গিয়েছে। আমিও ওকে অনেক ভুল বুঝেছি। আমিও ওর উপর অনেক অন্যায় করেছি। তবে এই ছেলেটার জন্যই আমার মেয়ে আজ এমন একটা চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।” নন্দিতার কথাগুলো শুনে অনির্বাণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয় পুলিশ প্রশাসন।

ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে অনির্বাণের মা বাবা। তারা খবরটা শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। কারণ এই ধরনের ঘটনায় সাধারণত স্বামীকে এই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তার ওপর অনির্বাণ যেটা করেছে সেটা মোটেও ঠিক করেনি। অনির্বাণ নিজের থেকেই পুলিশের সামনে নিজের সমস্ত কীর্তি স্বীকার করে। পুলিশের উপর মহলের সাথে যোগাযোগ থাকায় ওই মুহূর্তের জন্য অনির্বাণকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায় তার মা বাবা। অনির্বাণ ঠিক করে সে আর নিজের জীবন রাখবে না। এই অপরাধবোধ তাকে প্রত্যেক দিন শেষ করে দেবে তাই তার নিজেকে শেষ করে দেওয়া ভালো।

আরও পড়ুন: ভাঙনের মুখে রোহিত-ফুলকির সংসার! ফুলকি কি পারবে সত্যের উদঘাটন করতে?

সবটা শুনে আঁতকে ওঠে নীলাঞ্জনা

অন্যদিকে খবরটা পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে শৌর্য। সে বাড়ির সকলকে সবটা জানায়। দিদির মৃত্যুর খবরটা শুনে চমকে ওঠে নীলাঞ্জনা। কারণ সে নিজের দিদির ক্ষতি চেয়েছিল ঠিকই, সে চেয়েছিল তার দিদি কখনো যেন সুখে শান্তিতে না থাকতে পারে কিন্তু মৃত্যু কামনা কখনোই করেনি। শৌর্য বলে, যদি সত্যিই আজ রাই মারা যায় তাহলে সে নিজে সমস্ত প্রমাণ পুলিশকে গিয়ে দিয়ে আসবে আর নীলাঞ্জনাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেবে।

 

Back to top button