কেন নিতে হলো ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত, সত্যি কি জিতু নবনীতার মধ্যে কোন তৃতীয় ব্যক্তির আগমন! নিজেই প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী

ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন নবনীতা দাস এবং জিতু কামাল। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন বিয়ের ফুল খ্যাত অভিনেত্রী। ধোঁয়াশা ভরা পালটা পোস্ট দেন জিতু কামালও। ‘বাচ্চা বউ’-কে উদ্দেশ্য করে অভিনেতা ওই পোস্ট করায় নেটিজেনদের ধারণা হয়েছিল, সাময়িক অভিমানের জেরে ‘ছেলেমানুষী’ করছেন অভিনেত্রী। সত্যিই কি তাই?

শুক্রবার এক সংবাদ মাধ্যমের সামনে জিতুর হালের সোশ্যাল পোস্ট থেকে ডিভোর্সের কারণ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন নবনীতা। তাঁর কথায়, ‘ওর বৃহস্পতিবারের পোস্টটা আমি দেখেছি। আজকের পোস্ট আর দেখা হয়নি। তবে আমি যা বলেছি সেটা প্রাইভেসি বজায় রেখেই। ও হয়ত গোপনীয়তা বজায় রাখতেই চাইছে। সেটা হলেই হয়ত দু’জনের মঙ্গল হবে।’

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন তৈরি হয়, কোনো তৃতীয় ব্যক্তির আগমনের জন্যই নাকি ভেঙ্গে যাচ্ছে জিতু নবনীতার গোছানো সংসার। অনেক অভিনেত্রী কে জিতুর সঙ্গে জড়িয়ে খুব কুরুচিকার মন্তব্য করা হয়েছে ইতিমধ্যে। সত্যিই কি জিতু নবনীতার মাঝে আগমন ঘটেছে কোন তৃতীয় ব্যক্তির? নাকি এই ধারণা সম্পূর্ণ মিথ্যা? এবার এই নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি কিছুক্ষণ আগেই একটি ছোট লাইভ করেন অভিনেত্রী নবনীতা। সেখানে তিনি বলেন, “আমি আমাদের ডিভোর্সের খবরটা জানানোর পর অনেকদিন ধরেই অনেক খবর দেখতে পাচ্ছি। অনেক ভুল ভ্রান্তি রটানো হচ্ছে আর সেই নিয়েই প্রকাশ্যে বলতে এই লাইভটা করা। আমি আর জিতু সম্পূর্ণ মিউচুয়াল ভাবে এই ডিভোর্সের সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। এর মাঝে কোন তৃতীয় ব্যক্তির গল্প নেই। অনেকেই দেখছি শ্রাবন্তী দিকে জড়িয়ে খারাপ মন্তব্য করছেন। আদতে এমন কিছুই নয়। আমরা সম্পূর্ণ একসাথে এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি এর পিছনে অন্য কোন ব্যক্তির প্রসঙ্গ নেই।”

ঠিক কী কারণে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত? নবনীতার সাফ কথা, ‘ছোট ছোট ঘটনার মাধ্যমেই সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল। একটু একটু করে জমতে জমতে চরম সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। এটা আজকের সিদ্ধান্ত নয়। যা হওয়ার অনেকদিন আগেই হয়ে গিয়েছে।’ ভেঙে গেল আরও একটা সংসার আলাদা হয়ে গেল আরো এক জুটি। আর তার সাথে সাথে আরো একবার মন খারাপ ঘিরে ধরলো দর্শকদের।

Back to top button