ছিলেন জি বাংলার সতী ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ! এত জনপ্রিয়তা পেয়েও কোথায় হারিয়ে গেলেন অভিনেত্রী শিরিন রায়?

ধারাবাহিক (Bengali Serial) হলো সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ। ধারাবাহিক না থাকলে বিনোদন জগতের (Entertenment) একটা বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। কারণ বাড়ির মা, কাকিমারা সারাদিন কাজকর্ম করার পর সন্ধ্যাবেলা থেকেই ধারাবাহিক গুলি দেখার জন্য টেলিভিশনের সামনে বসেন। তাই ধারাবাহিক বিনোদন জগতের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর এই ধারাবাহিক জগতের এমন বেশ কিছু পুরোনো ধারাবাহিক রয়েছে যেগুলো সারা জীবন আমাদের মধ্যে থেকে যাবে।

সেরকমই একটি ধারাবাহিক ছিল জি বাংলার সতী। ধারাবাহিকটি দর্শক মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। তাই তো এতবছর পরেও এই ধারাবাহিকের কথা অসংখ্য মানুষ মনে রেখেছেন। এত সুন্দর ছিল ধারাবাহিকের গল্প যে ৮-৮০ যেকোনো বয়সের দর্শক ভালোবাসতেন এই ধারাবাহিক।

সেই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র সতীর ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন এক শিশুশিল্পী। কিন্তু ওই ধারাবাহিকের পর অভিনেত্রীকে আর দেখা যায়নি কখনো। কোথায় হারিয়ে গেলেন সেই অভিনেত্রী? এখন কোথায় আছেন? কি করছেন কত কত প্রশ্ন ভিড় করেছে দর্শকদের মনে। বাংলায় ছোটপর্দার একসময়ের পরিচিত মুখ শিরিন রায় বিগত বেশ কিছু বছর ধরে দক্ষিণের মালায়লাম, তামিল ও তেলেগু সিরিয়ালে স্টারের লিড ও অত্যন্ত জনপ্রিয়। শিরিন ইতিপূর্বে ২০১২-১৩ সালে জি বাংলায় সতী সিরিয়ালের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন। তার আগে সান বাংলায় সাথী সিরিয়ালেও অভিনয় করেন।

২০০৭ সাল থেকে কেরিয়ার শুরু করা শিরিন বেশ কিছু বছর ধরে দক্ষিণের ছোটপর্দা কাঁপাচ্ছেন। তাঁর অভিনয় করা দক্ষিণের কাজগুলির মধ্যে অন্যতম “সূর্যকন্ঠী” মালায়লাম ভাষায় মাজহাভিল মনোরমা চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়েছে। এরপর কাব্য অঞ্জলি নামের তামিল সিরিয়ালে কাব্যর চরিত্রে অভিনয় করেন শিরিন। বর্তমানে ‘স্টার মা’ চ্যানেলে তেলেগু সিরিয়াল “বানটালাক্কা”তে তিনি ‘মহালক্ষী’ নামের মুখ্য চরিত্রটিতে অভিনয় করছেন।

আরও পড়ুনঃ বরকে দেখতে রুবেলের শুটিং সেটে উপস্থিত শ্বেতা! বউকে দেখেই লজ্জায় রাঙা রুবেল!

অভিনয় তাঁর প্যাশন, তিনি শিল্পী হিসাবে আরও উন্নতি করতে চান। যখন একের পর এক বাংলায় কাজের অফার আসছিল তখন দক্ষিণ থেকেও অফার আসছিল। প্রথমটা ভাষা নিয়ে তিনি বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলেন কারণ ভাষা না বুঝলে স্ক্রিপ্ট বুঝে সঠিক এক্সপ্রেশন কীভাবে দেবেন। কিন্তু তারপর এই চ্যালেঞ্জটাই তিনি নেন এবং খুব তাড়াতাড়িই সমস্তটা শিখে নেন। আর সেই অধ্যাবসায়ের জেরেই আজ তিনি এতগুলো ভাষা জানেন। সর্বোপরি আজ দক্ষিণের কাজের এতগুলো মানুষও তাঁর বন্ধু এবং সেই শহরও তাঁকে আপন করে নিয়েছে।

Back to top button