‘আমার জীবনের শেষ দিনেও যেন সিঁথিতে সিঁদুর থাকে’, ভালোবাসার পরিণতির এক বছর পার! মধ্যরাতে তারই উদযাপন! আবেগে ভাসলেন রুবেল-শ্বেতা!

আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনেই রূপকথার মতো করে শুরু হয়েছিল শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসের দাম্পত্য জীবন। দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে বারোটা মাস, অথচ ভালোবাসার উষ্ণতা যেন একটুও ফিকে হয়নি। প্রথম বিবাহবার্ষিকীর দিনে তাই কোনো জাঁকজমক নয়, বরং হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা অনুভূতিতেই ভরিয়ে দিলেন শ্বেতা। স্বামীর হাত শক্ত করে ধরে একসঙ্গে পথচলার আনন্দ তিনি ভাগ করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, যেখানে প্রতিটি লাইনে ধরা পড়েছে অকৃত্রিম ভালোবাসা আর আজীবনের অঙ্গীকার।
মধ্যরাতে কেক কেটে নিজেদের মতো করেই উদযাপন সারেন শ্বেতা ও রুবেল। বেগুনি রঙের ইন্ডিয়ান স্টাইল গাউনে শ্বেতা ছিলেন অনন্যা, আর রুবেলকে দেখা গিয়েছে স্বচ্ছন্দ ক্যাজুয়াল লুকে। প্রিয় মানুষদের সঙ্গে কেকমুখ আর হাসি গল্পে ভরে ওঠে সেই মুহূর্ত। একটি মিষ্টি ভিডিও শেয়ার করে শ্বেতা লেখেন, কীভাবে চোখের পলকে এক বছর পার হয়ে গিয়েছে, আর এইভাবেই সারাজীবন একসঙ্গে কাটাতে চান তিনি। জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত স্বামীর হাত ধরে রাখার ইচ্ছেটুকু তাঁর লেখায় স্পষ্ট।
তবে শ্বেতার পোস্টের একটি লাইনই সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গিয়েছে অনুরাগীদের হৃদয়। তিনি লেখেন, জীবনের শেষ যাত্রায় যেন সিঁথিতে সিঁদুর নিয়েই যেতে পারেন, রুবেলই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। সেই আশীর্বাদ থেকে একটি দিনের জন্যও বঞ্চিত হতে চান না তিনি। এই কথাগুলোর মধ্যেই ধরা পড়ে একজন স্ত্রীর বিশ্বাস, নির্ভরতা আর সম্পর্ককে আগলে রাখার গভীর আকাঙ্ক্ষা।
ভিডিওতে ধরা পড়েছে একে অপরকে কেক খাওয়ানো, আলিঙ্গন আর ছোট ছোট সুখের মুহূর্ত। এক বছরের দাম্পত্য জীবনের বোঝাপড়া আর ভালোবাসা স্পষ্ট ক্যামেরার ফ্রেমে। টলিউডের এই জনপ্রিয় জুটির প্রেমের শুরু হয়েছিল যমুনা ঢাকি ধারাবাহিকের সেটে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত বছর সাত পাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। আজ শ্বেতার পোস্টে শুধুই আনন্দ নয়, ছিল ভবিষ্যতের জন্য এক গভীর প্রার্থনা আর ভালোবাসার দৃঢ় ঘোষণা।
আরও পড়ুনঃ খলনায়িকা থেকে শুভাকাঙ্ক্ষী! মিটিলকে বরণ করে নিতে সবথেকে এগিয়ে বড় বৌদি বর্ষা, কমলিনীকে বিপদে ফেলতে এবার নতুন চাল দিলো বর্ষা?
এই বিশেষ দিনে রুবেল দাসও নিজের অনুভূতি উজার করে দিয়েছেন। বৈদিক বিয়ের মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। নিজেকে কতটা যোগ্য বর জানেন না বললেও, শ্বেতার ভালোবাসাকে সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব তিনি নিতে পারেন, সেটাই তাঁর বিশ্বাস। আলাদা দুজন মানুষ হয়েও যে তাঁরা আসলে একে অপরের পরিপূরক, এই এক বছরে সেটাই প্রমাণ করেছে তাঁদের সম্পর্ক।

