‘ভালোবেসে চুমু খাচ্ছে, সেটাতে গাত্রদাহ কেন?’, মমতা শঙ্করের অভিযোগ তুরি মেরে উড়িয়ে চুমুতে সম্মতি স্বস্তিকার!

টলিউডের (Tollywood) অন্যতম হটেস্ট এবং সাহসী অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হলেন স্বস্তিকা মুখার্জি (Swastika Mukherjee)। স্পষ্ট সত্যি কথা বলার জন্য বেশিরভাগ সময় খবরের লাইম লাইটে উঠে আসে স্বস্তিকার (Swastika Mukherje) নাম। এছাড়া স্বস্তিকার সাহসী পোশাক এবং ফটোশুটের কারণে মাঝে মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে চর্চায় থাকেন তিনি।
মাঝেমধ্যেই নিজের বক্তব্য, কাজকর্মের জন্য তিনি সোশ্যাল মিডিয়া শিরোনামে উঠে আসেন। তাকে নিয়ে সমালোচনার শেষ নেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। অভিনেত্রীর ঠোঁটকাটা মন্তব্যের জন্যই একাধিকবার তিনি উঠে এসেছেন খবরের শিরোনামে। যেমন বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই মেট্রো কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা শহর।

মেট্রোতে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে চুমু খাওয়া নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ ব্যাপারটাকে একেবারেই ভালো চোখে দেখছেন না, সমালোচনা করছে। আবার একদল ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন। এই নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেছেন। নিজেদের মতামত পেশ করেছে। এবার এই নিয়ে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও নিজের মতামত জানালেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন “গোটা পৃথিবী জুড়ে যেখানে এত নৈরাজ্য, জ্বালা, যন্ত্রণা, খেয়োখেয়ি, মারপিট, ঈর্ষা- সেখানে দুটো মানুষ, তারা ভালোবেসে চুমু খাচ্ছে, সেটাতে গাত্রদাহ কেন? ভালোবাসা থেকে যাতে মানুষের আশা-ভরসা, বিশ্বাস বিলুপ্ত না হয়, তার জন্য তো যাদের ভালোবাসি, তাদের হাত ধরে হাঁটা উচিত, তাদের চুমু খাওয়া উচিত। সেটা জনসমক্ষে অশ্লীল পর্যায়ে চলে না গেলে কারও কেন এটা নিয়ে মাথাব্যথা থাকবে? যাদের জীবনে প্রেম আছে, ভালোবাসা আছে, তাদের সবার উচিত ঘণ্টায় ঘণ্টায় মেট্রো স্টেশনে গিয়ে চুমু খাওয়া।”
আরও পড়ুনঃ নিম ফুলের মধুতে নতুন নায়ক! পুঁটির বিপরীতে আসছে জনপ্রিয় অভিনেতা!
স্বস্তিকা আরো বলেন “যে লুকিয়ে-চুরিয়ে ছবি তুলছে, সে কি সেই যুগলের অনুমতি নিয়েছে ছবি তোলার আগে? এই লোকটার মানসিকতা ততটাই কদর্য, যতটা যারা ক্যামেরা বসিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে, যারা পাশের বাড়িতে কী হচ্ছে দেখার জন্য জানলা খুলে দেখে! নিজস্ব ভয়ারিজমের জায়গা থেকে যে ছবিটা তুলেছে, তাকে কেন প্রশ্ন করে, ট্রোল করে, গালাগালি দিয়ে তুলোধনা করছি না আমরা? এই নোংরা মানুষটার পরিচয় বের করে সোশাল মিডিয়াতে তাকে এক্সপোজ করা উচিত যাতে সে লুকনোর কোনও পথ না পায়। তা না করে যারা নিজেদের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করেছিল, তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছি আমরা। এটা আমাদের দ্বিচারিতা!”

