আবারও কাঠগড়ায় সুদীপা! এবার রান্নাবান্না নয়, বুটিকের কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক নেটিজেন!

টলিউড (Tollywood) ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পরিচিত মুখ এবং বাঙালি ড্রয়িংরুমের অতি পরিচিত ‘রান্নাঘর’ খ্যাত সঞ্চালিকা সুদীপা চ্যাটার্জী (Sudipa Chatterjee) বরাবরই চর্চার কেন্দ্রে থাকেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পর্দার ওপারে সুস্বাদু সব পদের রেসিপি দর্শকদের উপহার দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বাঙালির ঘরের মানুষ। তবে শুধুমাত্র সঞ্চালনা নয়, নিজের স্পষ্টবক্তা স্বভাব এবং রাজকীয় জীবনযাপনের জন্যও তিনি মাঝেমধ্যেই সংবাদ শিরোনামে আসেন। সম্প্রতি নিজের একটি ডিজিটাল ভ্লগে পান্তা ভাত খাওয়া এবং ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অজানা দিক নিয়ে মুখ খুলে ফের একবার নেটপাড়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ব্যক্তির দাবি, সুদীপা চ্যাটার্জির নিজস্ব বুটিকে গিয়ে তিনি অত্যন্ত তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, সুদীপা নিজের অধস্তন কর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত রুক্ষ ভাষায় কথা বলেন এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। গ্রাহকদের সামনেই কর্মীদের অপমান করতে তিনি দ্বিধাবোধ করেন না বলেই দাবি করেছেন ওই ক্ষুব্ধ নেটিজেন।
আভিজাত্যের আড়ালে কি অন্য রূপ?

সুদীপা চ্যাটার্জি বরাবরই নিজেকে বেশ মার্জিত এবং ‘অভিজাত’ হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছেন। কিন্তু ট্রোলারদের দাবি, ক্যামেরার সামনের সুদীপা আর বাস্তব জীবনের সুদীপার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, “যিনি টিভিতে হাসিমুখে কথা বলেন, পর্দার আড়ালে তিনি এতটাও রূঢ় হতে পারেন তা ভাবা যায় না।” বিশেষ করে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে তাঁর এই কথিত ব্যবহার নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটতে শুরু করেছেন। কেউ লিখেছেন, “টাকাপয়সা হলে মানুষ বোধহয় এভাবেই ধরাকে সরা জ্ঞান করে।” আবার কেউ উপহাস করে বলছেন, “রান্নাঘরে তো খুব জ্ঞান দিতেন, এবার একটু ব্যবহারের ক্লাসও করা দরকার।” ট্রোলাররা সুদীপার আভিজাত্যকে খোঁচা দিয়ে বলছেন যে, সত্যিকারের আভিজাত্য পোশাকে বা অলঙ্কারে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে ব্যবহারে প্রকাশ পায়।
নীরবতা না কি প্রতিবাদ?

এই প্রথম নয়, এর আগেও ‘বিফ’ বিতর্ক থেকে শুরু করে ডেলিভারি বয়দের নিয়ে করা মন্তব্যে জেরবার হয়েছিলেন সুদীপা। প্রতিবারই তিনি নিজের যুক্তিতে অনড় থেকেছেন বা পাল্টা জবাব দিয়েছেন। তবে এবারের এই ‘বুটিক স্ক্যান্ডাল’ নিয়ে তিনি সরাসরি কোনো সাফাই দেবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ভক্তদের বড় একটা অংশ অবশ্য মনে করছেন, একতরফা কোনো পোস্ট দেখে কাউকে বিচার করা ঠিক নয়। কিন্তু ট্রোলের দুনিয়ায় সেই যুক্তির ধার ধারছে কে।

আরও পড়ুনঃ ‘সময় চলে যাচ্ছে, বিদায় নিলাম…’ অভিনেতার পোস্ট দেখে মন খারাপ দর্শকদের! কেন এই পদক্ষেপ অভ্রজিৎ চক্রবর্তীর?

Disclaimer: এই সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশিত সংবাদটি তৃতীয় ব্যাক্তি বা নির্দিষ্ট কোন‌ও পক্ষের মন্তব্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। BinodonXP.com এই মন্তব্যগুলি সঠিক কিনা তা যাচাই করেনি। এই প্রতিবেদনে যে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে তার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সেই ব্যাক্তি বা পক্ষের। আমরা কোন‌ও বক্তব্যের জন্য দায়ী নই, কাউকে আঘাত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।A

Back to top button