“শুটিং ফ্লোর থেকে বের করে দিয়েছিল, দাঁড়িয়ে খুব কেঁদেছিলাম”- শুরুটা সহজ ছিল না, খোলামেলা আড্ডায় সৌরভ

বর্তমান সময়ের বাংলা চলচ্চিত্র (Bengali Movie) জগতের অন্যতম জনপ্রিয় একজন অভিনেতা হলেন সৌরভ দাস (Sourav Das) বড় পর্দা থেকে শুরু করে ওয়েব সিরিজ (Web Series) জগতে সৌরভের নাম ছড়িয়ে রয়েছে নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন অল্প বয়স থেকে অভিনয় জগতে হাতে খড়ি হয় তার। ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম অভিনয় জগতে পা রাখেন সৌরভ তারপর থেকে একের পর এক ছবি ওয়েব সিরিজে কাজ করার জন্য অফার আসতে থাকে তার কাছে।
অভিনেতার মা রবীন্দ্রভারতীয় গানের সংগীত শিল্পী হওয়ার দরুন ছোট থেকেই অভিনেতার ইচ্ছে ছিল গায়ক হবার। সেই মতো খুব অল্প বয়সে নিজের ব্যান্ড খুলেছিলেন। ভগবানের ইচ্ছা হয়ত অন্যরকম ছিল তাই অভিনয় জগতে এত অল্প সময়েই নাম করতে পেরেছেন অভিনেতা। তবে অভিনেতার জীবনেও কিন্তু অনেক চড়াই উতরাই ছিল সেই সব পেরিয়েই আজকে সকলের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অভিনেতা। জি বাংলার এক সময় কার জনপ্রিয় ধারাবাহিক বয়েই গেল তে অভিনয় করতেন সৌরভ সেখানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। চরিত্রটি দর্শকের আরো বিশেষ করে নজর ফিরেছিল সেই থেকেই সকলের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন অভিনেতা।
সৌরভের অভিনীত জনপ্রিয় কিছু ছবির মধ্যে হলো কাহানি, আশিকি, গ্যাংস্টার, বলো দুগ্গা মাইকি, কে তুমি নন্দিনী, আড্ডা, পাসওয়ার্ড, তিন বিন্দু, চিনি ইত্যাদি। এছাড়াও ওয়েব সিরিজ জগতে সৌরভের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ মন্টু পাইলট দর্শকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তার অভিনয় সত্যি প্রত্যেকের নজর কেড়েছে।
তবে সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছেন তিনি আজ যে এত সফল অভিনেতা অভিনয় শুরুর সময় তাকে অনেকবার ব্যর্থ হতে হয়েছে। অনেকবার ফেল করেছেন তিনি জীবনে। যখন তিনি তার প্রথম গানের ব্যান্ড শুরু করেছিলেন সেই গানের ব্যান্ড ভেঙে গেছিল একসময় সেখানে ব্যর্থ হয়েছিলেন, যখন অভিনয় শুরু করেছিলেন সবার কাছে অভিনয়ের জন্য যেতেন সেখানে ব্যর্থ হয়েছেন বারবার।
আরও পড়ুন: কালীপুজো করতে গিয়ে একি সর্বনাশ! সবটা একা হাতে সামলাতে পারবে তো জোনাকি!
অভিনেতা জানিয়েছিলেন ‘আমি প্রথম একটি ছবিতে ৩০ সেকেন্ডের কাজ পেয়েছিলাম। তারপরে সেই ফ্লোর থেকে আমাকে বের করে দেয়া হয়েছিল। সেই সময় একটা কোনায় গিয়ে হাউ হাউ করে কান্না করেছিলাম। কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম এভাবে চলতে পারে না বেশিদিন। আমাকে এটা করেই বাঁচতে হবে সুতরাং ভেঙে পড়লে হবে না।’ অভিনেতা জানান তিনি যখন বয়েই গেল তে অভিনয় করতে নেই সেই চরিত্র ছিল ভীষণই মজাদার। হাসপাতালে ভর্তি একজন রোগী সৌরভকে দেখে হাসতেন, মন ভালো রাখতে। সেই কথাটা সৌরভের মাকে জানিয়েছিলেন তিনি। এটা অভিনেতার কাছে অনেক বড় পাওয়া।

