‘সারেগামাপা’র অডিশনে দুর্নীতি! গৌরবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন কলকাতার প্রতিযোগী

শেষের মুখে দাদাগিরি সিজন ১০ (Dadagiri Season 10)। আসছে জি বাংলার (Zee Bangla) নয়া রিয়েলিটি শো সারেগামাপা (SaReGaMaPa)। দিনকয়েক আগে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল শো-টির অডিশনের প্রক্রিয়া। সেই শো-এর কলকাতা অডিশন নিয়ে উঠেছে ভয়ানক অভিযোগ এক প্রতিযোগী।
রবিবার শহরের একটি নামজাদা কলেজে ছিল সারেগামাপার অডিশন হয়। সেখানেই বিরাজকৃষ্ণ সাহা নামক এক ব্যক্তি গান গাইতে যান। প্রাথমিক ধাপে ওই ব্যক্তির অডিশন নেন সারেগামাপার প্রাক্তন প্রতিযোগি গৌরব সরকার (Gourab Sarkar)। বিরাজের অভিযোগ তাঁর গান ২০-২৫ সেকেন্ডও শোনেননি গৌরব। গান শুনে নাকি ব্যঙ্গাত্মক হাসি হাসছিলেন গায়ক।
গৌরবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক প্রতিযোগী
প্রতিযোগীর বক্তব্য, “ওঁর যে আচরণ দেখলাম , তা একজন সাধারণ ভদ্র-সভ্য মানুষের গ্রহণযোগ্য হবে বলে মনে হয় না। সময়ের কথা মাথায় রেখে আমি গানটির আলাপ গাইনি , শুধু মুখরার কুড়ি পঁচিশ সেকেন্ড গাওয়ার পরই আমাকে থামিয়ে দেওয়া হল। আমি গাইবার সময়ে উনি এতটাই উদাসীন ছিলেন যে , গানটি মনযোগ সহকারে শোনার পরিবর্তে ওখানে বসে থাকা আর একজনের সঙ্গে হাসাহাসি করছিলেন যা, মনে হল কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক।”
শুধু তাই নয় গৌরবের এই উদাসীনতার শিকার হয়েছিলেন বাকি প্রতিযোগীরাও। অভিযোগকারী আরও লেখেন, ”এক মিনিটের মধ্যেই সবার অডিশন নেওয়া হয়ে যাচ্ছিল! যাই হোক , কলকাতা অডিশনের এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য বড়ই তিক্ত ও বেদনাদায়ক।”
এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে চুপ থাকেননি গৌরব। যদিও তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মিলেছেন নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকের মতে, গৌরবের নিজের কেরিয়ারের ঠিক নেই, আর সেই তিনিই নাকি বাড়ি বয়ে এসে অডিশন দেওয়ার কথা বলছেন প্রতিযোগীদের।
অভিযোগের পাল্টা গৌরব কী বলছেন?
সমাজমাধ্যমে গায়ক লিখেছেন, “নমস্কার! আমি গৌরব সরকার বলছি, প্রথমত এই কার্ড আমার দেওয়া নয়, কারণ আমি প্রত্যেকটি কার্ড সই সহকারে দিয়েছি আর আমার সাথে যিনি কার্ডে অংশগ্রহণকারীদের নাম লিখছিলেন এটা তার হাতের লেখাই নয়। আমি ঢাকুরিয়া রায় পাড়াতে থাকি ১এ বেচু ডক্টর লেনে বিনায়ক আবাসনে, আপনাদের যাদের মনে হয় আপনাদের গান ভালো হওয়া সত্বেও আপনাদের নেওয়া হয়নি আপনারা আমার বাড়ি এসে লাইভ ভিডিও করে অডিশন দিয়ে সবাইকে দেখান, এতটা অধিকার দিয়ে রাখলাম আপনাদের প্রত্যেককে, এতটাই আমি আত্মবিশ্বাসী নিজের সিলেকশন নিয়ে। আমাকে ভুল প্রমাণিত করলে আমি সঙ্গীত ছেড়ে দেব চিরকালের মতো। আমি গান বাজনার বিষয়ে এতটাই সৎ যে নিজে কোনদিনও এক ফোঁটা সুবিধা কারো কাছে চাইনি আর কাউকে সুবিধা পাইয়েও দিই না।”

