ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর জীবনে বিরাট দুঃ’সংবাদ! প্রিয় মানুষকে হারিয়ে শোকাহত অভিনেত্রী!

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অবশেষে প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর (Rituparna Sengupta) মা নন্দিতা সেনগুপ্ত। মৃত্যুর সময় অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল মাত্র ৭৭ বছর। শনিবার বিকাল ৩টে নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রীর মা। বেলেভিউতে চিকিৎসক অনির্বাণ নিয়োগীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল নন্দিতা দেবীর।
গত ১৫ দিন ধরে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে ছিলেন নন্দিতা দেবী। কিডনির সমস্যা ছাড়াও বার্ধক্যজনিত আরও নানান শারীরিক সমস্যা ছিল। চিকিৎসকরা তাদের শেষটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষরক্ষা হল না। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন তিনি। মায়ের মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছেন ঋতুপর্ণা ও তাঁর গোটা পরিবার।
চলতি মাসের ৭ তারিখ ছিল অভিনেত্রীর জন্মদিন। সেদিনই অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন এই বছরের জন্মদিন ভালো কাটেনি তার। মা অসুস্থ থাকায় জন্মদিন পালন করেননি। এরপরেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর মা নন্দিতা সেনগুপ্ত। তড়িঘড়ি দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর মাকে। মায়ের মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। স্বামী সঞ্জয় চক্রবর্তী ও অভিনেত্রীর দুই সন্তান সিঙ্গাপুর থেকে কলকাতায় আসছেন। তবে এই মুহূর্তে ঋতুপর্ণার পাশে রয়েছেন তাঁর ভাই। ঋতুপর্ণার মেয়ে কলকাতায় আসলেও ছেলে অঙ্কন শিক্ষার সূত্রে বস্টনে।
মায়ের প্রয়াণে শোকাহত ঋতুপর্ণা
প্রসঙ্গত, বেশ অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন ঋতুপর্ণার মা। কিডনি সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল নন্দিতা সেনগুপ্তের শরীরে। কিছুদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নায়িকার মা। অনেক দিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছে। ডায়ালিসিস চলছে। একাধিক পরীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্লেটলেট রক্তচাপ কমে গিয়েছে।
শরীরে আরও নানা সমস্যা। এতদিন ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কাল অর্থাৎ রবিবার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে। ঋতুপর্ণার মা নন্দিতাদেবীর অসুস্থতার সময় পাশে ছিলেন ঋতুপর্ণার স্বামী সঞ্জয়। এছাড়াও ছিলেন অভিনেত্রীর ভাই। মুম্বই থেকে ছুটে আসেন ঋতুপর্ণার মাসতুতো বোনও।
আরও পড়ুন: ফাঁ’স রূপসার ফুলশয্যার ভিডিও! কটাক্ষের মুখে রূপসা সায়নদীপ!
কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। মাঝে মাত্র দু’দিনের জন্য জরুরি কাজের কারণে শহর ছেড়েছিলেন ঋতুপর্ণা। বাকি সময়টা তিনি হাসপাতালে ছিলেন। মানসিক দিক থেকে তিনি বরাবর মায়ের উপর নির্ভরশীল। তাই মাকে হারিয়ে গভীর ভাবে শোকাহত অভিনেত্রী।

