‘এ ভাবেই হয়তো ওর সঙ্গে থেকে যেতে পারলাম…’ কিভাবে প্রয়াত অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থেকে গেলেন নীল মুখোপাধ্যায়? স্মৃতিচারণে কেঁপে উঠল অভিনেতার গলা!

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণের প্রায় আড়াই মাস কেটে গিয়েছে। মৃত্যুর আগে বেশ কয়েকটি কাজ শেষ করে গেলেও তাঁর আসন্ন ছবি ‘অটবি’-র ডাবিং অসম্পূর্ণ ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অভিনেতা সুজন নীল মুখোপাধ্যায়। এই ঘটনাকে ঘিরেই উঠে এসেছে এক আবেগঘন অধ্যায়।
রাহুলের সঙ্গে বয়স ও প্রজন্মের ব্যবধান থাকলেও দীর্ঘদিনের পরিচয় এবং কাজের সম্পর্ক ছিল নীলের। ডাবিং করতে গিয়ে বারবার ফিরে এসেছে পুরনো স্মৃতি। বিশেষ করে রাহুলের প্রথম বড় সাফল্যের ছবি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর কথা। সেই ছবিতেও রাহুলের চরিত্রের জন্য কণ্ঠ দিয়েছিলেন নীল।
এই অদ্ভুত মিলকে জীবনের এক বিশেষ সমাপতন বলেই মনে করছেন তিনি। নীলের কথায়, রাহুলের প্রথম জনপ্রিয় ছবিতে যেমন তাঁর কণ্ঠ শোনা গিয়েছিল, তেমনই শেষ ছবির কাজও তাঁর হাতেই সম্পূর্ণ হলো। বিষয়টি তাঁকে একদিকে আবেগপ্রবণ করেছে, অন্যদিকে বন্ধুর সঙ্গে এক অদৃশ্য যোগসূত্রের অনুভূতিও দিয়েছে।
বিগত কয়েক বছরে একাধিক প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন দু’জন। ‘রাপ্পা রায় অ্যান্ড ফুল স্টপ ডট কম’ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ ও অন্যান্য কাজের সূত্রে তাঁদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছিল। তাই ‘অটবি’-র ডাবিং করার অভিজ্ঞতা নীলের কাছে শুধুমাত্র একটি পেশাগত দায়িত্ব ছিল না, বরং ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিল।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের মণ্ডপেই চরম বিশ্বাসঘাতকতা! আইনি কাগজে সই করতেই নিশাকে গ্রেফতার করাল জিৎ বসু! ধরা পড়েও উজিকে চরম হুঁশিয়ারি নিশার! কি করতে চলেছে সে?
প্রায় এক মাস আগে ডাবিংয়ের কাজ শেষ করেন নীল। তাঁর কথায়, পর্দায় রাহুলকে দেখতে দেখতে বারবার মনে হয়েছে, তিনি যেন এখনও সবার মধ্যেই রয়েছেন। বাস্তবের অনুপস্থিতি মেনে নেওয়া কঠিন হলেও তাঁর শেষ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারাটা বড় প্রাপ্তি। সেই স্মৃতিই আজ নীলের কাছে রয়ে গেছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে।

