‘ওরা সম্মান দিতে জানে না, নুসরতকে দেখেছি…’- আড়ি ছবির শুটিংয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বীকার মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়? সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক অভিনেত্রী!

৫০ বছরের বেশি সময় ধরে টলিউড (Tollywood) এবং বলিউড (Bollywood) ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করে চলেছে মৌসুমী চ্যাটার্জী (Moushumi Chatterjee)। ১৯৬৭ সালে তরুণ মজুমদারের ‘বালিকা বধূ’র হাত ধরেই বাংলা সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন অভিনেত্রী। শেষবার তাঁকে দেখা গিয়েছে ‘পিকু’ সিনেমায়। টলিউডের উত্তম কুমার থেকে বলিউডের অমিতাভ বচ্চন অভিনেতার নায়িকা হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের রূপ এবং অভিনয়ের দক্ষতায় বছরের পর বছর ধরে মন জিতে এসেছেন অভিনেত্রী।

তার ঝুলিতে রয়েছে দাদাসাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড। বাংলা থেকে হিন্দি ইন্ডাস্ট্রি কাঁপিয়েছেন ৭০ দশক জুড়ে। কেবল সৌন্দর্যে নন, অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ করেছেন কত শত মানুষকে। দীর্ঘ কয়েক বছর পর বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরেছেন মৌসুমী। যশ নুসরাতের ছবি আড়ির মাধ্যমে আবার বাংলার মানুষ পর্দায় পেয়েছেন মৌসুমী চ্যাটার্জিকে।

আড়ি ছবিতে কাজ করার সূত্রে যশ এবং নুসরাতের সাথে অনেকটাই সময় কাটিয়েছেন অভিনেত্রী। তাদের চিনেছেন এবং তাদের সম্পর্কে অনেককিছু জেনেছেন। এবারে সেই নিয়েই খোলাখুলি আলোচনা করলেন অভিনেত্রী। বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা বেশিরভাগ সময় বড়দের সম্মান করতে জানে না। তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে জানে না। সেরকমই অভিযোগ করেন অভিনেত্রী মৌসুমী চ্যাটার্জি। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতা অভিনেত্রীরা সিনিয়র অভিনেতা, অভিনেত্রীদের সম্মান করতে জানে না। ওরা নিজেদেরকেই সম্মান দিতে জানে না তাই সামনের মানুষটাকেও কিভাবে সম্মান করতে হয় সেই শিক্ষাটা পায়নি।’ হঠাৎ করে কি সাক্ষাৎকারে কেন এমন অভিযোগ করলেন অভিনেত্রী? তবে কি যশ নুসরাতের সাথে তার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা খারাপ?

এই ধরনের অভিযোগ নতুন নয় এর আগেও বহু বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিনেত্রী এই অভিযোগ এনেছে বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতা অভিনেত্রীদের নিয়ে। সেটে তারা সিনিয়রদের সম্মান করতে জানে না, তাদেরকে তাদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেই শিক্ষাটুকুও তারা নাকি পায়নি। এমন অনেক অভিযোগ করেছেন অনেক শিল্পী।

আরও পড়ুনঃ ধারাবাহিক থেকে সোজা ডান্স বাংলা ডান্সের মঞ্চে পারুল! অভিনেত্রীর নাচে মুগ্ধ টলিপাড়া!

তবে সাক্ষাৎকারে মৌসুমী চ্যাটার্জি কার নাম নেননি। বরং তিনি বলেছেন, ‘যশ নুসরাতের সাথে কাজ করতে পেরে আমি খুবই খুশি। ওরা সেটে সবসময় আমার খেয়াল রেখেছে। আমার যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, আমি কখন কি খাবো সবদিকে নজর দিয়েছে। আমাকে নিয়েই সবসময় ব্যস্ত ছিল। আমি খুবই অলস, কাজ করতে ভালো লাগে না। ওরা আমাকে দিয়ে ঠিক ততটুকুই করিয়েছে।’

Back to top button