“ছুটির দিনে দেখি যমরাজ সোফায় বসে আছেন!” —স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে সরব মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর স্বামীকে নিয়ে মুখ ফস্কে বলা কথায় চাঞ্চল্য!

নাট্যমঞ্চে তিন বছর বয়সে পা রাখা এক খুদে মেয়ে আজ হয়ে উঠেছেন টেলিভিশন এবং সিনেমার অন্যতম প্রিয় মুখ। ছোট থেকেই থিয়েটারের পরিবেশে বড় হওয়া এই শিল্পী জীবনের প্রতিটি ধাপে অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন নিজস্ব ঢঙে। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ‘মানসী সিনহা’র (Manasi Sinha)। একজন প্রকৃত অভিনেত্রীর যেমন হয়ে ওঠা উচিত—মানসী ঠিক তেমনই। মায়ের হাত ধরে থিয়েটারে যাত্রা শুরু করে নাটক থেকে সিনেমা, সিনেমা থেকে পরিচালনার জগতে নিজেকে সফলভাবে তুলে ধরেছেন তিনি।

তবে যিনি পর্দায় মায়ের চরিত্রে এতটা নিখুঁত, তিনি বাস্তব জীবনেও যেন একেবারে পাশের বাড়ির মা! সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণবন্ত, হাসিখুশি এই মানুষটার সঙ্গে একবার দেখা হলে মন খারাপের কোনও সুযোগই নেই। শুধু অভিনেত্রী নন, মানুষ মানসী সিনহা-ও ঠিক ততটাই আকর্ষণীয়। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাঁর কথার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসে হিউমারের মোড়কে। ঠিক যেমনটা ঘটেছিল জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো দিদি নাম্বার ওয়ানে।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে নিজের সংসার জীবন নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছিলেন মানসী। কিন্তু তাঁর বলা প্রতিটি লাইনে ছিল নিতান্তই মজার ছলে বলা, যা দর্শকদের হাসতে বাধ্য করেছিল। স্বামী ‘শঙ্খ সিনহা’ সম্পর্কে বলতে গিয়ে রসিকতা করে বলেন, “উনি যা বলেন, আমি তার উল্টো করি না… আমি যা বলি, উনি উল্টোটা করেন।” এমনই কটাক্ষপূর্ণ ভালোবাসা ঘেরা দাম্পত্য রসায়ন তুলে ধরেছিলেন তিনি।

আর সবচেয়ে বেশি হেসেছিলেন দর্শকরা, যখন তিনি বলেন, “ছুটির দিনে দেখি যমরাজ সোফায় বসে আছে!” ছেলে মেঘ আর মেয়ে বৃষ্টিকে নিয়েও করলেন চমৎকার সব খুনসুটির গল্প। পর্দায় যাঁকে দেখে মনে হয় গম্ভীর, বাস্তবে তিনি যেন জীবন মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা এক চনমনে প্রাণ। তাঁর কথায়, ভঙ্গিমায় এমন একটা সহজাত হাস্যরসের ছোঁয়া থাকে, যা আলাদা করে স্ক্রিপ্ট লেখারও প্রয়োজন পড়ে না।

আরও পড়ুনঃ কমলিনীকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব! নতুনের প্রস্তাবে একি সিদ্ধান্ত নিয়ে বসলো কমলিনী? ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

সে কারণেই দিদি নাম্বার ওয়ানের সেই এপিসোড মানসী সিনহাকে আরও কাছের মানুষ করে তুলেছিল দর্শকদের কাছে। অভিনয় জীবনের বাইরে ‘এটা আমাদের গল্প’ নামে একটি ছবির পরিচালনা করে নিজেকে অন্যভাবে প্রমাণ করেছেন মানসী। যেখানে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় থেকে অপরাজিতা আঢ্য, বড় বড় অভিনেতাদের নিয়ে কাজ করেছেন অত্যন্ত দক্ষতায়। কিন্তু তার থেকেও বড় পরিচয়—তিনি এক মজার মানুষ। এক জনমানুষ, যাঁকে দেখে মনে হয়, এই তো আমাদের ঘরের কেউ।

Back to top button