এখন মুখ্যমন্ত্রী হলেও হারিয়ে গেছে ছোটবেলা! রচনার সামনে মমতা ব্যানার্জি কষ্টের কথা চোখ জল আনবে আপনার

বাংলার দর্শকদের বিনোদন (Entertainment) দেওয়ার উপলক্ষে বর্তমানে টেলিভিশন (Bengali Television) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এখন বাংলা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) বিনোদনের একটি অন্যতম অঙ্গ হয়ে উঠলেও আনুষঙ্গিক কিছু রিয়ালিটি শো রয়েছে যেগুলিও দর্শকদের কাছে সমানভাবে গুরুত্ব পায়। তো অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম হলো জি বাংলার (Zee Bangla) দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi no 1)

এই রিয়ালিটি শো-টি বর্তমানে বাঙালি পরিবারের একটি প্রধান সদস্য হয়ে উঠেছে। এটি হল সবথেকে দীর্ঘতম রিয়েলিটি টিভি শোগুলির মধ্যে একটি। অর্থাৎ জি বাংলার আর যেসব অনুষ্ঠান গুলি সম্প্রচারিত হয় সেগুলির চাইতে এই অনুষ্ঠানটির বয়স অনেক বেশি। আর এই অনুষ্ঠানটির সঞ্চালিকা হিসেবে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কাজ করে চলেছেন অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি।

প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে কংক্রিটের শহর সমস্ত জায়গার মেয়েদের এই অনুষ্ঠানে দেখা গিয়ে থাকে। কেউ নিজের জীবনে লড়াই করে চলেছে কেউ বারবার হেরে গিয়েও আবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে আবার কেউ সফলতার শীর্ষে পৌঁছেছে, এইসব রকমের মেয়েদেরকেই অনুপ্রেরণা হিসেবে উপস্থাপন করা হয় এই মঞ্চে। এইবার এই মঞ্চে এলেন বাংলার মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে এসে নিজের ছোটবেলার কষ্টের কাহিনী সবার সামনে তুলে ধরলেন তিনি।

জি বাংলার ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি বিশষ পর্ব হতে চলেছে এবং ইতিমধ্যেই এই পর্বের টেলিকাস্টের সময় জানিয়েছেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। একজন সাধারণ মানুষের মতনই ইন্ডাস্ট্রীর দিদি অর্থাৎ জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। একটি ভিডিওতে রচনা দর্শকদের উদ্দেশ্যে জানান, মমতা ব্যানার্জিকে তার পরিচালিত অনুষ্ঠানে পেয়ে তিনি অত্যন্ত আপ্লুত। রচনা ব্যানার্জী উল্লেখ করেছেন যে এতদিনে এই অনুষ্ঠানের নামটি ‘দিদি নং 1’, স্বার্থকতা পেল।

আরো পড়ুন: তারাকে ছাড়াই শেষ হল সন্ধ্যা তারা! শেষ পর্বে প্রধান নায়িকাই অনুপস্থিত! ক্ষিপ্ত দর্শক মহল

দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে সমাজের হাজারো মহিলাকে অনুপ্রাণিত করতে তিনি জানান, ছোটবেলায় খুব অল্প বয়সেই তার বাবা মারা যায়। যার ফলে জীবনের শখ আহাদ বলতে তেমন কিছুই পূরণ করতে পারেননি তিনি। বাবা মারা যাওয়াই ওই ১০-১১ বছরের ছোট্ট মমতাকে নিজের কাঁধে তুলে নিতে হয় সংসারের দায়িত্ব। সেখান থেকেই তার জীবনের সংগ্রাম শুরু আর এখনো তা অব্যাহত।

Back to top button